গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা
প্রথম অধ্যায়
ভূমিকা
বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে স্থানীয় সরকারের বিকাশের একটা সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। গ্রামীণ পর্যায়ে অন্যতম স্থানীয় সরকার বলে স্বীকৃত আজকের ইউনিয়ন পরিষদ যদিও ব্রিটিশ আমলে এবং ব্রিটিশ আদলে পড়া তথাপি এর সূচনা হয়েছিল প্রাচীন কালে।ঋগবেদ মন্তব্য করেছেন যে, স্থানীয় সরকার গ্রামগুলোর মতোই পুরাতন। তবে এর আকৃতি প্রকৃতি সব সময় একই রকম ছিল না। বৈশ্বিক পরিবর্তন, কেন্দ্রে ক্ষমতার উথান-পতন, কেন্দ্র- গ্রাম,সম্পর্ক, স্বাধীন স্থানীয় শাসকের উদ্ভব প্রভৃতি কারণে গ্রামীণ সমাজে স্থানীয় সরকার বিবর্তিত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কখনো মহাসভা, কখনো পঞ্চায়েত, কখনো হেডম্যান, কখনো ইউনিয়ন পরিষদ প্রামীণ স্থানীয় সরকার বলে পরিগণিত হয়েছে। যে নামেই পরিচতি হোক না কেন প্রাচীন কাল থেকেই গ্রাম বাংলায় স্থানীয় সরকার কর সংগ্রহ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আসছে। কেন্দ্রে ক্ষমতার পালাবদল, কেন্দ্রের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও এসবের প্রকৃতি স্থানীয় সরকারের কার্যবলি ও প্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
১.১। গবেষণা
সাধারণভাবে বলা যায় যে, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।
সুতারং বলা যায় যে, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।
১.২। গবেষণা উদ্দেশ্যঃ
প্রতিটি গবেষণা কর্মের নিদিষ্টতা থাকার প্রয়োজন। আমার গবেষণার বিষয় “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা” আমার গবেষণার কাজটির পেছনে একাধিক উদ্দেশ্য রয়েছে যার উপর ভিক্তি করে আমার গবেষণাটি আমি এগিয়ে নিয়েছি। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল।
** ইউনিয়ন পরিষদের ধরণ ও প্রকৃতি সর্ম্পকে জানতে।
** ইউনিয়ন পরিষদের বিশিষ্ট পর্যবেক্ষন।
** ইউনিয়ন পরিষদের গঠন পর্যবেক্ষন।
** সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা পর্যবেক্ষন।
১.৩। গবেষণরা গুরুত্ব
সামাজিক গবেষণা সমাজ সর্ম্পকে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। সমাজ জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নিম্নরুপ।
১। সমাজ সম্পর্কে জ্ঞানঃ
সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে কোন সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান প্রজ্ঞার নতুন দিক উন্মোচিত করে। এটি সমাজজীবনের সামাজিক বাস্তবতাকে অনুধাবনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
২। সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি ও কারণ সম্পর্কে জানাঃ
পৃথিবীতে এমন কোন সমাজ নেই যেখানে সমস্যা নেই। উন্নয়নশীল দেশ হোক আর উন্নত দেশ হোক সামাজিক সমস্যা থাকবেই। বস্তুত সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে বিদ্যমান এসব সমস্যার সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায় এবং তা থেকে উত্তরণের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মান করা সম্ভব হয়।
৩। সামাজিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নঃ
সামাজিক পকরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গবেষণণার গুরুত্ব অপরিসীম। একমাত্র গবেষণা উপাত্তের উপর ভিত্তি করেই সমাজের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করা সম্ভব হয়।
৪। ভবিষ্যদ্বানীকরণঃ
সামাজিক গবেষণ ভবিষ্যদ্বানী করতে এবং সংস্কারের লক্ষ্যে উপনীত হতে সমাজকে সাহায্য করে। সামাজিক গবেষণা উপাত্তের উপর ভিত্তি করেই সমাজের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করা সম্ভব হয়।
৫। জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারঃ
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর, সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার করে কিভাবে সমাজের অসীম চাহিদাকে সফলতার সাথে মোকাবিলা করে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে উপনতি হওয়া যায় তা সামাজিক গবেষণার উপর নির্ভর করে।
৬। বিজ্ঞানসহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্যঃ
গবেষণার বিজ্ঞান সম্মত তথ্য প্রদান করে। তাই বিজ্ঞান সম্মত তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে গবেষণার গুরুত্ব অত্যধিক।
১.৪। গবেষণার যৌক্তিকতা
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।
১.৫। গবেষণার সীমাবন্ধতা
এ পৃথিবীতে কোন কিছুই সমালোচনার উর্ধ্বে নয়। সব কিছুরই ভালোর পাশাপাশি মন্দের, গুরুত্বের পাশাপাশি সীমাবদ্ধতা থাকবেই। ঠিক তেমনি সামাজিক গবেষণাও রয়েছে কিছু সীমাবদ্ধতা। নিচে তার উল্লেখ করা হল।
সময় সাপেক্ষঃ
গবেষণার কাজ বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আমার জন্য বরাদ্দ সময় ছিল তুলনামুলক ভাবে কম।
উপযুক্ত পরিবেশের অভাবঃ
তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষৎকার গ্রহনে সময় যে নিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত পরিবেশ দরকার ছিল তা অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভাব হয়নি।
উত্তরদাতার অনিহাঃ
কর্মক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় উত্তর প্রদানে উত্তর দাতার অনীহা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি পতিবন্ধকতা ছিল।
নিরপেক্ষতার অভাবঃ
বস্তুু নিরপেক্ষ ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ দুরুহ হয়ে পড়ায় এখানে নিরপেক্ষতার অভাব থাকতে পারে।
১.৬। গবেষনা সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ঃ
যে কোন গবেষনণর ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সাধারন ভাবে প্রত্যয় হল কতক গুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা,বস্তু বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয় লক্ষ করা যায় তা হলোঃ
১.৬। গবেষনা সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ঃ
যে কোন গবেষনণর ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সাধারন ভাবে প্রত্যয় হল কতক গুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা,বস্তু বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয় লক্ষ করা যায় তা হলোঃ
ইউনিয়ন পরিষদ
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
১.৭ । গবেষণা পুস্তক পর্যালোচনা
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
দ্বিতীয় অধ্যায়
২.১। গবেষণার পদ্ধতি
সামাজিক গবেষণার অপরিহার্ষ উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পূর্ণাঙ্গ রুপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞান মনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। তাই সঠিক গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন না কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা অনিবার্য।
সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।
সামাজিক গবেষণার অপরিহার্ষ উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পূর্ণাঙ্গ রুপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞান মনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। তাই সঠিক গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন না কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা অনিবার্য।
সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।
২.২। জরিপ পদ্ধতি
সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অত্যান্ত নিয়তান্ত্রিকভাবে কাঙ্খক্ষিত তথ্য সংগ্রহ করা যায়।এই পদ্ধতিতে গবেষক আগে থেকেই নিশ্চিত হয়ে নেন যে তিনি নির্দিষ্ট তথ্য সমূহ সংগ্রহ করতে চান।
সাধারনভাবে বলা যায়,জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে কোন বিষয় সর্ম্পকে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা।
সূতারাং বলা যায়, কোন এলাকায় জনগনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের কৌশল হল জরিপ পদ্ধতি।
যৌক্তিকতা
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।
২.৩। তথ্য সংগ্রহের কৌশল
সামাজিক গবেষণার জন্য তথা তথ্য সংগ্রহের জন্য সাধারণত : পরীক্ষন, আপাত পরীক্ষন, এবং অপরীক্ষনের অর্ন্তভুক্ত পর্যবেক্ষন,সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা এবং অভিক্ষন কৌশলের ব্যবহার সর্বাধিক।
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।
২.৩। তথ্য সংগ্রহের কৌশল
সামাজিক গবেষণার জন্য তথা তথ্য সংগ্রহের জন্য সাধারণত : পরীক্ষন, আপাত পরীক্ষন, এবং অপরীক্ষনের অর্ন্তভুক্ত পর্যবেক্ষন,সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা এবং অভিক্ষন কৌশলের ব্যবহার সর্বাধিক।
প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষাৎকার একটি রুপক ব্যবহ্নত কৌশল।তবে পর্যবেক্ষন ও প্রশ্নমালা বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার। আমার গবেষণায় ব্যবহ্নত তথ্য সমূহ প্রাথমিক তথ্য। তাই সাক্ষাৎকার কেঊ এই গবেষণার তথ্য সংগ্রহের প্রধান কৌশল হিসাবে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যের গ্রহনযোগ্যতা ও নির্ভরতা নিশ্চিত করতে সহযোগী কৌশল হিসাবে এখানে প্রশ্নমালার ব্যবহার করা হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহের কৌশল হিসাবে আমি নমুনায়নের সাহায্য নিয়েছি। নমুনায়ন হলো একটি সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া যেকোন গবেষণা কাজ পরিচালনা করার জন্য নমুনায়ন একটি বিশেষ কৌশল। সাধারন অর্থে নমুনায়ন হচ্ছে একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক পদ্ধতি যার সাহয্যে সমগ্রক থেকে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়ন বা নির্বাচন করা হয়। এই গবেষণায় আমি বাঁকড়া ইউনিয়ন এর ৩০০ লোকদের মধ্য থেকে ২০ জনকে সমগ্রকের প্রতিনিধি হিসাবে বেছে নিয়েছি। কারণ সেখানে অনেক মানুষ আছে এবং আমার একার পক্ষে এত অল্প সময়ে সকল মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া সম্ভব নয়। তাই তদের প্রতিনিধিত্বশীল অংশ বেছে নিয়েছি।
গবেষণার সঠিকতা ও সফলতার কথা বিবেচনা করে বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যতা ও ধারাবাহিকতা রেখে আমি প্রশ্ন সম্বলিত একটি অনুসূচী ব্যবহার করেছি।
বলাবাহুল্য ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যদি জানার জন্য আমার গবেষণা সাক্ষাৎকার অনুসূচীতে উদ্দেশ্যমূলক সহজ সরল ও সুপষ্ট প্রশ্নমালা উপস্থাপন করেছি। সর্বপরি আমি জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে উত্তরদাতাদের কথা- বার্তা,চাল-চলন, আচার ব্যবহার এবং পারস্পরিক মনোভাব অনুধাবণের চেষ্টা করেছি।
২.৪। গবেষণা ক্ষেত্র ও এলাকা পরিচিতি
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
তৃতীয় অধ্যায়
৩.১। ইউনিয়ন পরিষদ
৩.২ ইউনিয়ন পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো :
৩.৩। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা
৩.২ ইউনিয়ন পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো :
৩.৩। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
চতুর্থ অধ্যায়
৪.১। সংগৃতীত তথ্য সারণী আকারে উপস্থাপন ও বিশ্লেষণঃ
সারণী নং-১
সারণী নং-২
সারণী নং-৩
৪.২। গবেষণার ফলাফল
৪.৩। সুপারিশমালাঃ
সারণী নং-১
সারণী নং-২
সারণী নং-৩
৪.২। গবেষণার ফলাফল
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
৪.৩। সুপারিশমালাঃ
এই ক্ষেত্রে কতিপয় সুপারিশসমূহ উল্লেখ্য করা হলো।
- ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশীল করতে হবে।
- ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে হবে।
- আইন সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে হবে।
- সকলে জন্য সমান আইন নিশ্চিত করতে হবে।
- ইউনিয়ন পরিষদ সাংগঠনিক কাঠামো সুষ্ঠ হতে হবে।
- সুষ্ঠ নির্বাচনে নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে।
৪.৪। উপসংহার
স্থানীয় সরকার মূলত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক এলাকার জনস্বার্থে নিয়োজিত এক প্রশাসন ব্যবস্থা, যা কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং সমস্ত নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ স¤ভব নয়। তাই গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারের একার পক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ করে এলাকা ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব নয়। তাই এলাকাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং এলাকাভিত্তিক চাহিদা নিরুপণে স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশষ করে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোন কর্মসূচীই বাস্তবায়িত হতে পারে না। এক্ষেত্রে স্থÍানীয় সরকার ব্যবস্থাক গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মূল্যবোধ অনুশীলনের মাধ্যমে জনগনের স্বত:স্ফ’র্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কর্মসূচীসমূহ বাস্তবায়নে অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
নমুনা প্রশ্নমালাঃ
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ
স্থানীয় সরকার মূলত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক এলাকার জনস্বার্থে নিয়োজিত এক প্রশাসন ব্যবস্থা, যা কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং সমস্ত নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ স¤ভব নয়। তাই গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারের একার পক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ করে এলাকা ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব নয়। তাই এলাকাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং এলাকাভিত্তিক চাহিদা নিরুপণে স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশষ করে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোন কর্মসূচীই বাস্তবায়িত হতে পারে না। এক্ষেত্রে স্থÍানীয় সরকার ব্যবস্থাক গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মূল্যবোধ অনুশীলনের মাধ্যমে জনগনের স্বত:স্ফ’র্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কর্মসূচীসমূহ বাস্তবায়নে অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
নমুনা প্রশ্নমালাঃ
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ
TERM-PAPER CODE : 0606201707

