জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা

জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা


প্রথম অধ্যায়


ভূমিকাঃ
হাল সময়ে জঙ্গিবাদ একটি খুব পরিচিত শব্দ। বিশেষত মুসলিম বিশ্ব ও মুসলমানদের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা ঘিরে পশ্চিমা বিশ্ব, খুব সুনির্দিষ্ট করে বললে, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং তার শাসকগোষ্ঠী ও মিডিয়ার অব্যাহত প্রচার, একে একটি বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। অবশ্য এর কারণও আছে। সে কথা পরে হবে। তার আগে আমাদের জানা দরকার, জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদেরই আরেকটি রূপ। সন্ত্রাসবাদ পৃথিবীতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, সাম্প্রদায়িক, স্বাধিকার, দমন-পীড়ণ, বর্ণবাদ, গোষ্ঠীস্বার্থ, ক্ষমতাবিস্তার, আতঙ্ক তৈরি, আগ্রাসন ইত্যাদি কারণে সন্ত্রাস একটি অনিবার্য বিষয় এবং এর প্রকৃতি ও রূপ বহুমাত্রিক। কখনো কখনো এটি দুর্বলের মরিয়া হাতিয়ার, কখনো নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সর্বশেষ অস্ত্র এবং অনেক সময় নিজেদের মতবাদ ও আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ একটি সাধারণ ঘটনা। অন্যদিকে পৃথিবীর যে কোনো শাসক ও শোষকগোষ্ঠীর কাছে এটি একটি ‘কমন’ গালি হিসেবেও খুব প্রিয়। কেননা, অনেক সময়ই কোনো দেশপ্রেমিক সংগ্রামীরা যখন বিদেশি শক্তি ও স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে এর প্রয়োগ করে, তখন শাসকগোষ্ঠীকে এই অভিধা দিয়ে তাদের দমন-পীড়ণ-হত্যা করতে দেখা গেছে। এর অন্যতম উদাহরণ, এই ভূখ-ে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং এর জবাবে ব্রিটিশের চ-নীতি।  কখনো কখনো সন্ত্রাস জাতীয়বাদেরও সমার্থক। যেমনটি দেখা গেছে হিটলার ও মুসোলিনির ক্ষেত্রে। তবে এক্ষেত্রে একে আখ্যায়িত করা হয়েছে ‘উগ্র জাতীয়তাবাদ’ হিসেবে। তবে যেভাবেই দেখা হোক কিংবা সংজ্ঞায়িত করা হোক না কেন, সন্ত্রাসবাদও অনেকটা ইতিহাসেরই সমান বয়সী। তবে যখন তা সন্ত্রাসবাদ, তখন এর একটি যূথবদ্ধতা, উদ্দেশ্য এবং সাংগঠনিক রূপ রয়েছে। এর নেপথ্যে একটি ‘দর্শন’ থাকে এবং তা কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করে। এমনকি খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকেই রোমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইহুদিদের গোপন ও প্রকাশ্য তৎপরতা এবং গণ আত্মহত্যাও সন্ত্রাসবাদের একটি বিশেষ রূপ। এভাবে প্রাচীন কাল থেকেই সন্ত্রাসবাদ নানারূপে প্রকাশ পেয়েছে। এমনকি আধুনিক সন্ত্রাসবাদও ইহুদিদেরই সৃষ্ট। এবং এর সূচনা ইউরোপে, যা তাদেরকে নিজেদের অধিকার ও নিজস্ব ভূখ- প্রতিষ্ঠার জন্য করতে হয়েছিল।   


১.১ গবেষণাঃ
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।


সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।



১.২ গবেষণার বিষয় ও সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ের ব্যখ্যাঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।

আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয়টি লক্ষ করা যায় তা হলোঃ
১. জঙ্গিবাদ

জঙ্গিবাদ

জঙ্গি, জঙ্গিবাদ, জঙ্গিবাদী শব্দগুলি ইংরেজি militant, militancy শব্দগুলির অনুবাদ। ইদানিং এগুলি আমাদের মধ্যে অতি পরিচিত ও অতিব্যবহৃত। শব্দগুলি কিছু দিন আগেও এত প্রচলিত ছিল না। আর আভিধানিক বা ব্যবহারিকভাবে এগুলি নিন্দনীয় বা খারাপ অর্থেও ব্যবহৃত হতো না। শাব্দিক বা রূপক ভাবে যোদ্ধা, সৈনিক বা যুদ্ধে ব্যবহৃত বস্তু বুঝাতে এই শব্দগুলি ব্যবহৃত হতো। বৃটিশ ইন্ডিয়ার কমান্ডার ইন চিফকে ‘জঙ্গিলাট’ বলা হতো।.....

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


এ সকল অর্থ কোনোটিই বে-আইনী অপরাধ বুঝায় না। কিন্তু আমরা বর্তমানে ‘জঙ্গি’ বলতে বুঝি......................................................

সন্ত্রাস-এর পরিচয়ে এনসাইকোপিডীয়া ব্রিটানিকায় বলা হয়েছে:
terrorism: the systematic use of violence ..................................................

মার্কিন সরকারের ফেডারেল বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফ. বি. আই) terrorism বা সন্ত্রাসের সংজ্ঞায় বলেছে:
the unlawful use of force and .....................................................

এই সংজ্ঞায় মূল কর্মের দিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। শক্তি, ক্ষমতা বা সহিংসতার ব্যবহার যদি বে-আইনী হয় তবে তা ‘সন্ত্রাস’ বলে গণ্য হবে। আর যদি তা ‘আইন-সম্মত’ হয় তবে তা ‘সন্ত্রাস’ বলে গণ্য হবে না।.......................................................................................................

যুদ্ধের ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ প্রতিপক্ষের সৈন্য ও নাগরিকদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারে সচেষ্ট থাকে। তবে সন্ত্রাসের সাথে যুদ্ধের মৌলিক পার্থক্য হলো, সাধারণ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধ উভয় ক্ষেত্রেই যোদ্ধারা মুলত.....................................................................................................................

Terrorism proper is thus the systematic use of violence to generate fear, and thereby to achieve political goals,.......................................................................................................


পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

১.৩ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ
আমার গবেষণার বিষয় “জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা” আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামের প্রেক্ষিতে এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নি¤েœাক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল ঃ

১.    বর্তমান গণতান্ত্রিক সমাজ জঙ্গিবাদকে কিভাবে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    গণতান্ত্রিক সমাজ কিভাবে জঙ্গিবাদের শিকার হচ্ছে যে সম্পর্কে জানা
৩.    জঙ্গিবাদের ধরণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া
৪.    জঙ্গিবাদ কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা
৫.    জঙ্গিবাদের কারণে কারণে সমাজ জিবনে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হয়
৬.    জঙ্গিবাদকে কিভাবে সমাজ থেকে নির্সৃন করা যায় সে সম্পর্কে জানা


১.৪ গবেষণার ক্ষেত্র ও এলাকা পরিচিতিঃ 
১.৫ গবেষণা ও পুস্তক পর্যালোচনা

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

দ্বিতীয় অধ্যায়

২.১ গবেষণার গুরুত্বঃ
সামাজিক গবেষণা সমাজ সম্পর্কে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সামাজিক গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১.    অজানাকে জানার জন্য
২.    রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩.    কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪.    জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫.    বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য


২.২ গবেষণার অনুসৃত পদ্ধতিঃ
সামাজবিজ্ঞানে গবেষণার অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পুর্ণাঙ্গ রূপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : যেমন-পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান প্রভৃতি ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য যেরূপ সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসৃত হয় তেমনি সমাজবিজ্ঞান গবেষণায়ও পদ্ধতি অনুসরন করা অনিবার্য। সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায় সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।  সুতরাং বলা যায় কোন কাজ পূর্নাঙ্গতা ও ব্যাপকতার সাথে সম্পন্ন করতে যে পন্থার সাহায্য নিতে হয় তা হল পদ্ধতি।

পদ্ধতি নির্বাচনঃ
আমার গবেষণার বিষয়বস্তু হল, “জঙ্গিবাদের ভয়াবহতা, বতর্মান অবস্থা”। একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি জরিপ পদ্ধতি অনুসরন করেছি। কেননা যে কোন গবেষণা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


জরিপ পদ্ধতিঃ
আধুনিক শিল্প ও শহর ভিত্তিক সমাজ গবেষণার এক জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত তথ্যানুসন্ধান পদ্ধতি হচ্ছে জরিপ পদ্ধতি। একটি বৃহৎ সমগ্রককে সরাসরি প্রত্যক্ষ না করে এর বিভিন্ন দিক বিশ্লেষনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে জরিপ গবেষণা পদ্ধতি সমাজ গবেষকদের নিকট সহজতম এবং নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হিসাবে সমাদৃত। সাধারণভাবে বলা যায়, জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে কোন বিষয় সম্পর্কে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা।
 সুতরাং বলা যায়, জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন এলাকার জনগনের আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের কৌশল।

জরিপ পদ্ধতির সুবিধাঃ
গবেষণা পদ্ধতির মধ্যে জরিপ পদ্ধতির গুরুত্ব অনেক বেশী। এর মধ্যেমে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। 
১.    সমস্যা নিরুপনে সহায়ক পদ্ধতি।
২.    কম খরচে জরিপ গবেষণা সম্পন্ন হয়।
৩.    খুব সহজে সাধারনীকরন সম্ভব।
৪.    বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগের সুযোগ।
৫.    আর্থ-সামাজিক বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা দান করে।
৬.    পরিকল্পনা প্রনয়ণে সহায়ক।
৭.    দূর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক।
৮.    অর্থনৈতিক বিষয়ে ধারনা দেয়।

জরিপ পদ্ধতির অসুবিধা সমূহঃ
আলোর বিপরীতে অন্ধকার এটি চিরন্তন সত্য। তাই জরিপ পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয়, বহুল ব্যবহৃত এবং সুবিধামন্ডিত হওয়া সত্বেও এ পদ্ধতির কিছু অসুবিধা রয়েছে। নিচে এগুলো উল্লেখ করা হলঃ
১.    বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করা সম্ভব নয়।
২.    উত্তর দাতার আবেগ অনুপস্থিত।
৩.    বস্তুনিষ্ট জরিপ সম্ভব নয়।
৪.    শহর ও গ্রামের জটিলতা।

২.৩ তথ্য সংগ্রহের কৌশলঃ
গবেষকের মনোগ্রাফের তথ্য সংগ্রহের কৌশল এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সামাজিক গবেষণার তথ্য সংগ্রহের জন্য যে কৌশলগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত কৌশল হলো তিনটি । যথা ঃ
১.    প্রশ্নমালা কৌশল
২.    সাক্ষাৎকার কৌশল
৩.    নমুনায়ন

১.    প্রশ্নমালা কৌশলঃ
যে কোন সামাজিক গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য বিজ্ঞান সম্মত ও বহুল ব্যবহৃত কৌশল হচ্ছে প্রশ্নমালা। এটা গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া। প্রশ্নমালা একটি লিখিত দলিল। এখানে কতকগৃলো প্রশ্ন থাকে এবং প্রশ্নমালা ব্যক্তির নিকট হতে তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২.    সাক্ষাতকার কৌশলঃ
সাধারন অর্থে দুই বা ততোধিক লোকের মধ্যে যে কোন আলোচনা বা কথোপকথনাকে সাক্ষাৎকার বলা হয়। এই সাক্ষাৎকার আবার দুই প্রকার যথা ঃ
১.    অবকাঠামোগত সাক্ষাৎকার
২.    কাঠামোগত সাক্ষাৎকার

৩.    নমুনায়নঃ

যে পদ্ধতি বিস্তৃত অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে থেকে গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয় বা উপাদান নির্বাচন করা হয় তাকে সংক্ষেপে নমুনায়ন বলে। আমি আমার গবেষণার জন্য দ্বৈবচয়িত নমুনায়নের পদ্ধতি বেছে নিয়েছি।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
২.৪ গবেষণায় ব্যবহৃত মূল পদ্ধতিঃ

২.৫ গবেষণা এলাকাঃ

২.৬ তথ্যের উৎসঃ

২.৭ সমগ্রক ও বিশ্লেষনের এককঃ

২.৮ সময়সূচীঃ

২.৯ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ

২.১০ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদঃ
সন্ত্রাসবাদ যখন জঙ্গিবাদ হিসেবে নাম গ্রহণ করে, তখন তা যেন মুসলিমদের প্রতিই অঙ্গুলি নির্দেশ করে। বিশেষত সাম্প্রতিক মুসলিমপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের পরিচালনা, মদদ ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহায়তা এবং মুসলিম দেশসমূহে তাদের বিস্তার এবং বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী ও আত্মঘাতী কার্যকলাপে জঙ্গি ও মুসলমান যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। এবং গণমাধ্যমে, বিশেষত পশ্চিমা গণমাধ্যমে এর প্রচারণা একে এভাবেই হাজির করে। আবার বিগত বছরগুলোতে আল কায়েদার মতো সংগঠনের তৎপরতা ও কার্যকলাপ একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে তালেবানি আধিপত্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম, আমেরিকা ও ব্রিটেনে মুসলিম সন্ত্রাসীদের তৎপরতা ও দায় স্বীকার; বিভিন্ন দেশে আত্মঘাতী হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন জঙ্গিবাদকে একটি রাষ্ট্রীয় নিরপত্তাহীনতা এবং বৈশ্বিক শান্তিবিনষ্টকারী প্রধান শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর এর ভয়াবহ রূপটি হচ্ছে, এটি নানাভাবে ধর্মান্ধতা বিস্তার ও প্রগতিবিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেকে হাজির করছে, যা গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে হুমকিগ্রস্ত করে তুলেছে। সবচে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে, কখনো কখনো কোনো রাষ্ট্রনায়ক বা দল একে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে এখন নিজেরাই এর শিকারে পরিণত হচ্ছে। এর সবচে বড় উদাহরণ পাকিস্তান। পাকিস্তান বিভিন্নভাবে জঙ্গিবাদকে মদদ দিতে গিয়ে নিজেকে ক্রমাগত ভঙ্গুর করে ফেলছে। এবং এটি এখন ভারত ও বাংলাদেশকে হুমকিগ্রস্ত করে তুলছে। অভিযোগ রয়েছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই উপমহাদেশে মৌলবাদ বিস্তারের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষকের ভূমিকা পালন করেছে, যার ফলে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতে অনেকগুলি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, যার দায়ভার বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন স্বীকারও করে নিয়েছে।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
৩.২ ইসলাম ও সাম্প্রতিক জঙ্গিবাদঃ
সাম্প্রতিককালে ইসলামি জঙ্গিবাদ নিয়ে সবচে বেশি মাথাব্যথা যার, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই একসময়ে ছিল আধুনিক জঙ্গিবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক। কিন্তু সবচেয়ে ট্র্যাজেডি হলো, আজ এটি তারই গলার ফাঁস হিসেবে দেখা দিয়েছে। এবং এক্ষেত্রে আমেরিকাই সবচেয়ে বেশি হুমকিগ্রস্ত। এটা প্রমাণিত যে, শীতলযুদ্ধের শেষ প্রান্তে, যখন আমেরিকা- সোভিয়েত ইউনিয়ন দুই পরাশক্তি পরস্পর শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল, তখন আচমকাই সুযোগটা এসে যায় আমেরিকার হাতে। একটি ভুল চিন্তার ফসল হিসেবে সোভিয়েত সরকার........................................................................................

৩.৩ সাম্প্রতিক জঙ্গিবাদ ও বাংলাদেশঃ
    জেএমবির নেতা বাংলাভাইয়ের নৃশংস অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যদিও বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের দৌরাত্ম্য প্রথম তীব্রভাবে টের পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু এ ছিল এর একটা সংহত রূপ। ভেতরে ভেতরে জঙ্গিবাদী চেতনা ও প্রচারণা বহুকাল ধরেই বাংলাদেশের ডালপালা ছড়িয়েছে। এর সূচনা সম্ভবত জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রাজাকারদের পুনর্বাসন এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করার মাধ্যমে। এটি প্রথমে ছিল মৌলবাদী মোড়কে। পরবর্তীকালে এতে নতুন নতুন মাত্রা যোগ করেন..............................................................................................................................

৩.৪ বর্তমান সরকার ও জঙ্গিবাদ
বাংলাদেশের বর্তমান আওয়ামী নেতৃত্বাধীন জোট সরকার যেমন জঙ্গিবাদের ঘোর বিরোধী, অন্যদিকে জঙ্গিবাদীদের চোখে এই সরকার সবচেয়ে ঘৃণার্হ। কেননা, এ সরকারের নেতৃত্বে আছেন বহুসংখ্যক নারী, যাকে তারা ইসলামসম্মত মনে করে না ................................................................


৩.৫ জঙ্গিবাদের শেকড় অনেক গভীরে 
আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতা বলি কিংবা বিভিন্ন মুসলিম দেশ বা সংগঠনের মদদই বলি, জঙ্গিবাদ আজকের বিশ্বের এক নির্মম বাস্তবতা। তা যেমন পশ্চিমা বিশ্বের জন্য, তেমনি মুসলিম দেশগুলোর জন্যও। কারণ, নানাভাবে এর শিকার হচ্ছে মুসলিমরাই। অথচ ইসলাম কেবল শান্তির ধর্ম তা-ই, ইসলাম ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকে নিরুৎসাহিত করে এবং সব বিষয়ে মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দেয়।............................................................................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১ সংগৃহীত তথ্য সারনী আকারে উপস্থাপন ও বিশ্লেষণঃ
সারনী নং-০১
সারনী নং-০২
সারনী নং-০৩

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

পঞ্চম অধ্যায়

৫.১ গবেষণার ফলাফলঃ
৫.২ সুপারিশমালাঃ
৫.৩ উপসংহারঃ
৫.৪ নমুনা প্রশ্নমালাঃ
৫.৫ সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ


TERM-PAPER CODE : 2505201706



শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট