বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা

প্রথম অধ্যায়

১.১ ভূমিকাঃ
একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তবর্তীকালীন সরকার। সাধারণত যেকোন প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়। এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলী নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে। এ অন্তর্র্বতীকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করার জন্য নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে। সংসদীয় শাসন কাঠামোয় মন্ত্রিসভা বিলোপের পর একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার এ অনুশীলন উন্নত এবং উন্নয়নশীল উভয় দেশেই লক্ষ্য করা যায়।

১.২ গবেষণাঃ
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।

১.৩ গবেষণায় ব্যবহৃত প্রতয়সমূহের ব্যখ্যাঃ

যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।

আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা”। এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
ক) গণতন্ত্র
খ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
ক) গণতন্ত্র :
গণতন্ত্র হলো কোন জাতিরাষ্ট্রের (অথবা কোন সংগঠনের) এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সমান ভোট বা অধিকার আছে। গণতন্ত্রে আইন প্রস্তাবনা, প্রণয়ন ও তৈরীর ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের অংশগ্রহনের সমান সু্যােগ রয়েছে, যা সরাসরি বা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্.......................................

খ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের অধুনালুপ্ত একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের ................................


১.৪ পুস্তক পর্যালোচনা
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ভিত্তিক গবেষণা কাজের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা। সদা পরিবর্তনশীল ও বির্বতনশীল সামজিক উপাদানকে উপজিব্য করে পরিচালিত সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে সাহিত্য সমীক্ষাকে একটি দিক দর্শন ও নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণভাবে বলা যায়, সাহিত্য পর্যালোচনা হচ্ছে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার যৌক্তিক অধ্যয়ন।
যে কোন গবেষণা কার্য পরিচালনার পূর্বে এই বিষয়ে কোন ধরনের গবেষণা কিংবা কোন ধরনের গবেষণা কাজ বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক সে বিষয়ে অধ্যয়ন করাই হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা।
   
পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সাহিত্য বলতে যে সমস্ত প্রাসঙ্গিক উপকরনকে সমাজ গবেষক অর্ন্তভূক্তি করে থাকেন তা নি¤œরুপ ঃ
১.    প্রকাশিত সাধারণ পাঠ্যপুস্তক।
২.    জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক জার্নাল, সাময়িক পত্র-পত্রিকা
৩.    গবেষণা প্রতিবেদন
৪.    বিশেষজ্ঞগনের অভিমত ইত্যাদি

দ্বিতীয় অধ্যায়


২.১ গবেষণার উদ্দেশ্যঃআমার গবেষণার বিষয় “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা” । আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হলঃ
১.    বর্তমান গণতান্ত্রিক সমাজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে কিভাবে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে জানা
৩.    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা

২.২ গবেষণার গুরুত্বঃ
গবেষণা আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১.    অজানাকে জানার জন্য
২.    রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩.    কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪.    জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫.    বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য


২.৩ তথ্য সংগ্রহের কৌশলঃ
গবেষকের মনোগ্রাফের তথ্য সংগ্রহের কৌশল এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। গবেষণার তথ্য সংগ্রহের জন্য যে কৌশলগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত কৌশল হলো তিনটি । যথা ঃ
১.    প্রশ্নমালা কৌশল
২.    সাক্ষাৎকার কৌশল
৩.    নমুনায়ন

১.    প্রশ্নমালা কৌশলঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য বিজ্ঞান সম্মত ও বহুল ব্যবহৃত কৌশল হচ্ছে প্রশ্নমালা। এটা গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া। প্রশ্নমালা একটি লিখিত দলিল। এখানে কতকগৃলো প্রশ্ন থাকে এবং প্রশ্নমালা ব্যক্তির নিকট হতে তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২.    সাক্ষাতকার কৌশলঃ
সাধারন অর্থে দুই বা ততোধিক লোকের মধ্যে যে কোন আলোচনা বা কথোপকথনাকে সাক্ষাৎকার বলা হয়। এই সাক্ষাৎকার আবার দুই প্রকার যথাঃ
১.    অবকাঠামোগত সাক্ষাৎকার
২.    কাঠামোগত সাক্ষাৎকার

৩.    নমুনায়নঃ
যে পদ্ধতি বিস্তৃত অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে থেকে গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয় বা উপাদান নির্বাচন করা হয় তাকে সংক্ষেপে নমুনায়ন বলে।

২.৪ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ
আমার গবেষণার বিষয়টির সাথে জরিপ পদ্ধতি সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। কেননা কোন সমাজের নির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তব তথ্য জানার জন্য অন্য পদ্ধতির তুলনায় জরিপ পদ্ধতি অধিক উপযোগী কারণ জরিপ পদ্ধতিতে গবেষক ঐ সমাজের একজন সদস্য হিসাবে সরোজমিনে পর্যবেক্ষন কৌশলের মাধ্যমে সঠিক ও বাস্তবধর্মী তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। যা এই সমাজের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম হয়। এতে আমার সময় ও পরিশ্রমের অপচয় কম হয়েছে এবং আমি আমার গবেষণাটি স্বল্প ব্যায়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।

২.৫ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

তৃতীয় অধ্যায়


৩.১ বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ইতিহাসঃ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের অধুনালুপ্ত একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে। সাধারণতঃ নির্বাচন পরিচালনা করাই এর প্রধান কাজ হয়ে থাকে। গত ১০ মে বাংলাদেশে সুপ্রীম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় দেয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনী অনুসারে দুই নির্বাচনের মধ্যকার সময়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ৩ মাসের জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করে। এসময় সুপ্রিম কোর্ট হতে সর্বশেষ অবসর গ্রহণকারী প্রধান বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে এক দল নিরপেক্ষ উপদেষ্টাম-লী সাহায্য করে থাকে। তবে এসময় সামরিক বাহিনীর কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।

একটি মত অনুসারে এ অভিনব পদ্ধতি প্রথম প্রস্তাব করেন আশির দশকে জামায়াতের তৎকালীন আমির অধ্যাপক গোলাম আযম। তিনি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত আয়োজিত এক জনসভায় এ ফর্মুলা পেশ করেন।[২] আবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর পক্ষ থেকে দাবী করা হয় এই পদ্ধতির উদ্যোক্তা তারাই। বিএনপির নেতা নাজমুল হুদা।ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাও নিজেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রস্তাবক হিসেবে দাবি করেন। তিনি বাংলাদেশের বেসরকারী টিভি চ্যানেল আই-এর তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য বিএনপি তাকে পঞ্চম জাতীয় সংসদের মন্ত্রীসভা থেকে অপসারণ করে। সাম্প্রতিককালে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সিএম শফি সামী বলেন, বাংলাদেশের সমস্যাগ্রস্থ আমলাতন্ত্রের কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন হয়েছে।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
প্রেক্ষাপট :
বিল উত্থাপন:
আন্দোলন
জনতার মঞ্চ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন

৩.২ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা :

১৯৯০ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার  বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি রাজনৈতিক দলগুলির পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সমঝোতার অভাব থেকেই উদ্ভূত। একটি বিদায়ী সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আইনানুগ রীতিসিদ্ধ পদ্ধতিগুলোর কতখানি সুষ্ঠু প্রয়োগ করবে এবং সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কতটা পক্ষপাতহীনতার পরিচয় দেবে, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ সন্দেহ থেকেই মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিটি উঠে আসে। স্বাধীনতাপূর্ব সময়ে ১৯৫৪ এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচন স্বচ্ছ নির্বাচন হিসেবে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছিল এবং গণআন্দোলনে প্রভাব ফেলেছিল যা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

৩.৩ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা  :
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা জনআকাঙ্গার প্রতিফলন সরকার গঠনের জন্য যেমন জরুরী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা,আস্থা,বিশ্বাস।তেমনি জরুরী সুষ্ঠু,অবাধ ও নিরেপক্ষ নির্বাচন কমিশন,জনপ্রশাসন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।কিন্তু বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনে, জনপ্রশাসনে,এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে এসব উপাধানের বড়ই অভাব।ক্রমবর্ধমান দলীয়করণ জন্য পেশাদারিত্ব হীন,নীতি-হীন,দুর্নীতিবাজ,এবং দলই অনুগত কর্মকর্তা,-কর্মচারী দল সৃষ্টি হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানে।এমন অবস্থায়ে কতটুকু সুষ্ঠু,অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেটা এখন বিবেচ্য বিষয়। নিম্নে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হলো -

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

প্রথমত:  বাংলাদেশের দলই  সরকারে অধীনে সাধারণ নির্বাচনের অনুষ্ঠানের খুব খারাপ এবং জঘন্য অভিজ্ঞতা  ইতিহাস বেশ সুখকর নয়। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়,সে নির্বাচনে বর্তমান সরকারের পূর্বসূরি বিরুদ্ধে অনিয়ম কেন্দ্র দখল,ব্যাপক বিস্তার অভিযোগ  এবং ব্যালট বাক্সে ছিনতাই,পোলিং .......................

দ্বিতীয়তঃ স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে বাংলাদেশে দলীয় সরকারে অধীনে মোট পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এবং সেসব জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি,কারচুপি অভিযোগ উ........................

তৃতীয়:সরকার,বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রায়ই,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে ডঃ ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে কুখ্যাত ১/১১ সরকারের উদাহরণ দিয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী প্রায় তার বক্তৃতার মধ্যে বলেন যে,” তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা আসলে কেউ রেহাই পাবে না “এবং তিনি আরো বলেন,”সবাই জেলে যেতে হবে.” আসলে, ১/১১ সরকার ....................

 চতুর্থ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিদারুণভাবে এবং তীব্র ভাবে ১৯৯০ সালে  তত্ত্বাবধায়ক সরকার পক্ষে প্রচেষ্টা চালিয়ে ছিল।১৯৮৩ সালে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ জামাত ইসলামি .................

 পঞ্চম: সুপ্রিম কোটের,বিজ্ঞ বিচারপতিদের দক্ষতা, জ্ঞান এবং আত্মজ্ঞান সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই। হাইকোর্ট বিভাগ বৃহত্তর বেঞ্চের তিন বিচারপতি মধ্যে (তাদের একজন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়) একজন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে ছিলেন। এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের তিনজন বিচারপতি ...................

 ষষ্ঠ: সরকার সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী,নেতৃত্বে সংবিধান সংশোধন জন্য ১৫ সদস্যরে শক্তিশালী প্যানেলের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করে।এই বিশেষ কমিটি...........................

৩.৪ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার নেতিবাচক দিক  :
বাংলাদেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম সূচনা ঘটে ১৯৯০ সালে। তা ছিল স্বৈরাচার এরশাদ সরকারকে হটানোর জন্য সময়ের দাবি। যে আন্দোলনে একযোগে ........................


পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১ সার্বিক পর্যালোচনাঃ

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা। রাজনৈতিক আন্দোলনের ফল। এর জন্মলগ্ন থেকেই কিন্তু এটিকে আইনি অথবা সাংবিধানিক বিতর্ক হিসাবে দেখা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন সাইয়িদ মশিউর রহমান (চবঃরঃরড়হ ঘড় ১৭২০ ড়ভ ১৯৯৬)।


১৯৯৯ সালে আর একটি রিট পিটিশন (ঢ়বঃরঃরড়হ হড় ৪১১২ ড়ভ ১৯৯৯) পেশ করা হয় সলিমুল্লাহ খান কর্তৃক। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জয়নুল আবেদিন, বিচারপতি আওলাদ আলী এবং বিচারপতি মীর্জা হুসেন হায়দার সমন্বয়ে গঠিত এক বৃহত্তর বেঞ্চ ২০০৪ সালের ৪ আগস্টে প্রদত্ত এক রায়ে সংবিধান সংশোধন (ত্রয়োদশ সংশোধনী) আইনে অনুমোদন দান করে রায় দিয়েছিলেন।......................................................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
 উপসংহারঃ
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। গণতান্ত্রিক দেশের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন বর্তমানে খুবই উত্তপ্ত। বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত ও আলোড়িত বিষয় হচ্ছে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা'। এই সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দুটি পক্ষ-বিপক্ষ শিবিরে চলছে ব্যাপক তর্ক বিতর্ক । বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এবং দ্বিতীয়টি বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। তৃতীয়পক্ষ নাগরিক ও সুশীল সমাজের বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবীরাও এ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরছেন। তবে বুদ্ধিজীবীরা তাদের মতামত স্পষ্টত প্রকাশ করেননি। তারা হয়তো বা 'ঝোপ বুঝে কোপ মারবেন' এমনো হতে পারে।

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী একটি নির্বাচিত দলের অধীনে নির্বাচন সংঘটিত হবে। এরকম নির্বাচন যেহেতু আগে কখনো হয়নি সেহেতু দেশের জনগণের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ উদ্দীপনা কাজ করছে। যদিও পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা অনেক আগে থেকে রয়েছে। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতাপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গন দ্বিমতে বিভক্ত। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বারবার ১/১১ এর ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ১/১১ এর জন্য বড় দুটি রাজনৈতিক দলই দায়ী । কেননা এই দুটি রাজনৈতিক দলের বিতর্কিত কিছু কর্মকা-ের জন্যই মইন ফখরুদ্দীন এক ধরনের সুবিধা নিয়েছিল। গতবারের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মদদপুষ্ট বর্তমান আওয়ামী লীগের প্রতি একনিষ্ঠ সমর্থন ছিল সামরিক বাহিনীর। কিন্তু ফখরুদ্দীন সরকার বাদে অন্যান্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা কি মনে পড়ে না? যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করেছে। এসব কথা মনে পড়লেও হয়তো বা সরকার পক্ষের কেউই তা স্বীকার করছে না। কারণ ১/১১ এর ইন্ধনদাতা সরকার আগামী নির্বাচনে কতগুলো আসনে বিজয়ী হবে সে আস্থা জনগণের ওপর থেকে হারিয়ে ফেলেছে। কেননা সে আস্থাটুকু যাচাই না করেই তারা ভীত হয়ে পড়েছে। যে জন্য নিজেদের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার ব্যবস্থা করে তারা আবার ক্ষমতায় আসতে চাচ্ছে। গণতান্ত্রিক দেশ হয়েও আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো গণতান্ত্রিকসুলভ আচরণ নেই। যে জন্য আমাদের রাজনীতি দূষিত, অবাঞ্ছিত। বলা চলে রাজনীতি আজ দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েছে। দেশের রাজনীতিতে যদি নেতৃত্বের গুণাবলীতে সঠিকভাবে পরিবর্তন আসে তাহলে দুটি দল, সংসদ ও দেশের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া সম্ভব। দেশে বর্তমান ঐতিহ্যগত পরিবারতন্ত্র বাদ দিলে দেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ সুন্দর মনোমুগ্ধকর হবে এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ছায়াতলে যে গণতন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে যা দেশের রাজনীতিকে সুন্দর ভবিষ্যতের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। দেশকে সুন্দর ভবিষ্যৎ এ ফিরিয়ে নিতে হলে মৃত (সরকার ঘোষিত) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন প্রয়োজন। বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক নামক সঙ্কট সমস্যার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ নামের প্রহসনের ব্যবস্থা করা হলেও বড় রাজনৈতিক দল দুটির কোনো আগ্রহ না থাকায় তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য কিছু প্রশ্ন থেকে যায়। সেগুলো হলো, দেশের কত শতাংশ লোক এ সরকার ব্যবস্থা ফিরে পেতে ইচ্ছুক? আমরা শুধু জানি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা নিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীক জরিপ কিন্তু সমগ্র দেশের মানুষ নির্দলীয় ব্যবস্থা নিয়ে কী ভাবছে? এটা জানাই এখন সময়ের প্রকৃত দাবি।

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ





TERM-PAPER CODE : 2505201704




শেয়ার করুন

লেখকঃ

পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট