ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন
প্রথম অধ্যায়
ভূমিকাঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ছাত্র রাজনীতির সূচনা, বিস্তৃতি এবং অবদান ম্রিয়মান কোন ঘটনা নয়। এই গৌরবদীপ্ত ভূখন্ডে ছাত্র রাজনীতির উন্মেষ ঘটেছিল প্রগতিশীল দর্শন তথা জীননের মননশীল স্তরায়নে অনুঘটক হিসেবে কাজ করার জন্য। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তান সৃষ্টি, ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬৯-র গণ অভ্যুত্থান, ১১ দফার আন্দোলন, স্বায়ত্বশাসনের স্বপক্ষে সংগ্রাম সর্বোপরি ১৯৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্র সমাজ শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরূদ্ধে নিজেদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়োজিত করে। তাই ছাত্ররাজনীতি একদিকে যেমন মানবিকতা ও সৃষ্টিশীলতায় উৎসারিত; তেমনি অভিন্ন সেই বোধে অনিবার্যভাবে অসুন্দর আর নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে শক্তিও বটে। একটি গৌরবোজ্জল ঐতিহ্যর অশীদারিত্ব নিয়ে যে ছাত্র রাজনীতির উত্থান-তার স্বরূপ, পথ পরিক্রমায় তার সৌন্দর্যহানি, কিছু মৌলিক জিজ্ঞাসা এবং নির্দেশনায় আবর্তিত হবে এই নাতিদীর্ঘ রচনা।
গত তিন দশকে ছাত্র রাজনীতির চারিত্র্য ও গুণগমমান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ৭৫ র পটপরিবর্তন, সামরিক শাসন সমূহ ছাত্র রাজনীতিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। উক্ত সময়ে ছাত্র রাজনীতি তার চিরায়ত গণমুখী ঐতিহ্য বিসর্জন নিয়ে ক্ষমতামুখী দৃষ্টিভঙ্গী দৃঢ়তর ভাবে ধারণ করতে শেখে। ছাত্র রাজনীতির এখন তাই আধিপত্য আর সম্পর্ক যোজন প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
১.১ গবেষণাঃ
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।
সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।
১.২ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ
আমার গবেষণার বিষয় “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” । আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের প্রেক্ষিতে এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নি¤েœাক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল ঃ
১. বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা কিভাবে ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণকে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২. ছাত্ররাজনীতির ধরণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া।
৩. ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা।
১.৩ গবেষণার গুরুত্বঃ
সামাজিক গবেষণা সমাজ সম্পর্কে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সামাজিক গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১. অজানাকে জানার জন্য
২. রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩. কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪. জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫. বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য
১.৪ গবেষণার বিষয় ও সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ের ব্যখ্যাঃ
যে
কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয়
হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
১. রাজনীতি
২. ছাত্র রাজনীতি
রাজনীতি
রাজনীতি (ইংরেজি: হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কিছু ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কোন গোষ্ঠী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যদিও রাজনীতি বলতে সাধারণত নাগরিক সরকারের রাজনীতিকেই বোঝানো হয়, ......................................................
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
১. রাজনীতি
২. ছাত্র রাজনীতি
রাজনীতি
রাজনীতি (ইংরেজি: হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কিছু ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কোন গোষ্ঠী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যদিও রাজনীতি বলতে সাধারণত নাগরিক সরকারের রাজনীতিকেই বোঝানো হয়, ......................................................
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
ছাত্র রাজনীতি
বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির মূলতঃ আবর্তিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজকে ঘিরে। এবং সেখানে ক্ষমতাসীন দল ও প্রধান বিরোধীদলের একচ্ছত্র প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। ছাত্র রাজনীতিতে যারা নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত তাদের শিক্ষার মান অনুল্লেখ্য, নিজ সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে তারা অনভিজ্ঞ, সর্বোপরি তাদের অনেকেই সন্ত্রাসী কাজ-কর্মের ..........................................
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণঃ
মূলতঃ ১৯৯০ এর অব্যবহিত পরে ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এ কথা অনস্বীকার্য যে ছাত্র-ছাত্রীরাই এদেশে জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে সাহসী ও সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেছে। তারা তাদের মেধা, মনন এবং চিন্তাভাবনায় সুন্দরকে স্বাগত জানিয়েছে। অসুন্দরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ছাত্র-ছাত্রীরা সমাজ সচেতনতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদীরূপ তাদেরকে জাতির আশা-আকাংখার কর্ণধার করেছে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্র-ছাত্রীদে......................................................
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির সামগ্রিক প্রেক্ষাপট
জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতির পতি প্রকৃতির ভাঙ্গাগড়ার মধ্যে প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থবহ অবদান রাখার নিমিত্তে ছাত্র-ছাত্রী সমাজ সমকালীন রাজনীতিকে চিন্তার খোরাক কিংবা আদর্শের পথ বাতলে দেবে এবং তাতে জাতীয় রাজনীতি সমৃদ্ধ হবে। এটা স্মরণ রাখতে হবে যে, সার্বক্ষণিক রাজনীতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নয়। প্রাথমিক কর্তব্যে জ্ঞানার্জন বা ভাল ডিগ্রী নিয়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া। লেজুড়বৃত্তির ছাত্র রাজনীতি নয় ................
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
শিক্ষা ব্যবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের প্রভাব
অসংখ্য সমস্যার সম্মিলিত নাম বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে উল্লেখ করা হলেও কতটুকুইবা উন্নয়নশীল?
যে দেশ ঘুস দুর্নীতিতে প্রতি বছর বিশ্বে অর্জন করে সর্বোচ্চ স্থান। যে দেশে ভাসমান মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার বিশ শতাংশ, এবং ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এই ভাসমান মানুষের সংখ্যা। যে দেশে পানি সমস্যার কারনে প্রতি বছর জান মালের হচ্ছে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি, এবং খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এর কোন স্থায়ী সমাধান। দৈনন্দিন দ্রব্য সামগ্রীর দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে,যার নেই কোন সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা। সে দেশে নীতি নির্ধারকদের মুখের বুলি শুধু চপাবাজি আর মিথ্যে আস্ফালন ছাড়া আর কিছুই নয়।.........................................................................................
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
১.৫ গবেষণার এলাকা পরিচিতি
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
দ্বিতীয় অধ্যায়
২.১ পুস্তক পর্যালোচনা
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ভিত্তিক গবেষণা কাজের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা। সদা পরিবর্তনশীল ও বির্বতনশীল সামজিক উপাদানকে উপজিব্য করে পরিচালিত সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে সাহিত্য সমীক্ষাকে একটি দিক দর্শন ও নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সাধারণভাবে বলা যায়, সাহিত্য পর্যালোচনা হচ্ছে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার যৌক্তিক অধ্যয়ন।
যে কোন গবেষণা কার্য পরিচালনার পূর্বে এই বিষয়ে কোন ধরনের গবেষণা কিংবা কোন ধরনের গবেষণা কাজ বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক সে বিষয়ে অধ্যয়ন করাই হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা।
পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সাহিত্য বলতে যে সমস্ত প্রাসঙ্গিক উপকরনকে সমাজ গবেষক অর্ন্তভূক্তি করে থাকেন তা নি¤œরুপ ঃ
১. প্রকাশিত সাধারণ পাঠ্যপুস্তক।
২. জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক জার্নাল, সাময়িক পত্র-পত্রিকা
৩. গবেষণা প্রতিবেদন
৪. বিশেষজ্ঞগনের অভিমত ইত্যাদি
২.২ গবেষণার অনুসৃত পদ্ধতিঃ
সামাজবিজ্ঞানে গবেষণার অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পুর্ণাঙ্গ রূপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : যেমন-পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান প্রভৃতি ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য যেরূপ সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসৃত হয় তেমনি সমাজবিজ্ঞান গবেষণায়ও পদ্ধতি অনুসরন করা অনিবার্য।
সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায় সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।
সুতরাং বলা যায় কোন কাজ পূর্নাঙ্গতা ও ব্যাপকতার সাথে সম্পন্ন করতে যে পন্থার সাহায্য নিতে হয় তা হল পদ্ধতি।
পদ্ধতি নির্বাচন ঃ
আমার গবেষণার বিষয়বস্তু হল, “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি জরিপ পদ্ধতি অনুসরন করেছি। কেননা যে কোন গবেষণা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
২.৩ জরিপ পদ্ধতিঃ
২.৫ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ
আমার গবেষণার বিষয়টির সাথে জরিপ পদ্ধতি সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। কেননা কোন সমাজের নির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তব তথ্য জানার জন্য অন্য পদ্ধতির তুলনায় জরিপ পদ্ধতি অধিক উপযোগী কারণ জরিপ পদ্ধতিতে গবেষক ঐ সমাজের একজন সদস্য হিসাবে সরোজমিনে পর্যবেক্ষন কৌশলের মাধ্যমে সঠিক ও বাস্তবধর্মী তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। যা এই সমাজের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম হয়। এতে আমার সময় ও পরিশ্রমের অপচয় কম হয়েছে এবং আমি আমার গবেষণাটি স্বল্প ব্যায়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।
২.৬ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ
গবেষণা একটা জটিল, দক্ষতা ও নৈপূণ্য ভিত্তিক নিরীক্ষাধর্মী কাজ। বর্তমান গবেষণাকর্মটি মৌলিক বা প্রতিশ্রুতিশীল হয়েছে। এমনটি দাবী করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। তাছাড়া মূল্যবোধ নিরপেক্ষ থেকে এ গবেষণা কর্মকে সঠিকভাবে সম্পাদন করার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকলেও বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা গবেসনা কর্মপরিচালনার প্রতিবদ্ধকতার সৃষ্টি করেছে। তাই বিরাজমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা গবেষণার মানকে প্রত্যাশা অনুযায়ী হতে দেয়নি একথা বললে নিঃসন্দেহে অত্যুক্তি হবে না। বর্তমান গবেষণা কর্মটি পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হয়েছে তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ
* গবেষণার কাজ বেশ, সময় সাপেক্ষে ব্যাপার হলেও যেহেতু এটা একটি কোর্স তাই অন্যান্য কোর্সের সাথে এর কাজ শেষ করতে হয় সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে। তুই একনিষ্টভাবে গবেষণা কর্মটি শেষ করা বেশীরভাগ সময়ই দুরুহ ব্যাপার হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে অনিচ্ছা সত্ত্বেও গবেষণায় কিছু ভূলত্রুটি হয়ে যেতে পারে।
* কর্মক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় উত্তরপ্রদানে উত্তরদাতার অনীহা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি প্রতিবদ্ধকতা ছিল।
* তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষাৎকার গ্রহনের সময় যে নিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত পরিবেশ দরকার ছিল তা অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
* একটি আদর্শ গবেষণায় সমগ্রকের প্রতিনিধিত্বশীল নমুনা নির্বাচন অত্যাবশ্যক। কিন্তু বর্তমান গবেষণায় গবেষকের সময় ও সামর্থ্যের দিক বিবেচনা করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নমুনায়ন করা হয়েছে।
* সংবেদনশীল প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাবার প্রবনতা দেখা গেছে।
পরিশেষে বলা যায় যে, গবেষণা করতে গেলে কিছুটা দুর্বলতা ও ত্রুটি থাকবেই। একারণে সে বিষয়ে পুনরায় গবেষণা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আর তাই একটি গবেষণা আর একটি গবেষণার দিক নির্দেশনা প্রদান করে। উপযুক্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রত্যক্ষবাবে তথ্য সংগ্রহ পর্যাবেক্ষন এবং অন্যান্য পবেষনা কৌশল অবলম্বন করতে গবেষণা কর্ম পরিচালনা করা হয়েছে বিধায় গবেষণা কর্মের অন্তরায় সমূহ গবেষণার মূল্য উদ্দেশ্যকে প্রভাবিত করবে না বলে আমার বিশ্বাস।
পদ্ধতি নির্বাচন ঃ
আমার গবেষণার বিষয়বস্তু হল, “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি জরিপ পদ্ধতি অনুসরন করেছি। কেননা যে কোন গবেষণা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
২.৩ জরিপ পদ্ধতিঃ
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন।
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
২.৫ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ
আমার গবেষণার বিষয়টির সাথে জরিপ পদ্ধতি সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। কেননা কোন সমাজের নির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তব তথ্য জানার জন্য অন্য পদ্ধতির তুলনায় জরিপ পদ্ধতি অধিক উপযোগী কারণ জরিপ পদ্ধতিতে গবেষক ঐ সমাজের একজন সদস্য হিসাবে সরোজমিনে পর্যবেক্ষন কৌশলের মাধ্যমে সঠিক ও বাস্তবধর্মী তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। যা এই সমাজের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম হয়। এতে আমার সময় ও পরিশ্রমের অপচয় কম হয়েছে এবং আমি আমার গবেষণাটি স্বল্প ব্যায়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।
২.৬ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ
গবেষণা একটা জটিল, দক্ষতা ও নৈপূণ্য ভিত্তিক নিরীক্ষাধর্মী কাজ। বর্তমান গবেষণাকর্মটি মৌলিক বা প্রতিশ্রুতিশীল হয়েছে। এমনটি দাবী করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। তাছাড়া মূল্যবোধ নিরপেক্ষ থেকে এ গবেষণা কর্মকে সঠিকভাবে সম্পাদন করার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকলেও বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা গবেসনা কর্মপরিচালনার প্রতিবদ্ধকতার সৃষ্টি করেছে। তাই বিরাজমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা গবেষণার মানকে প্রত্যাশা অনুযায়ী হতে দেয়নি একথা বললে নিঃসন্দেহে অত্যুক্তি হবে না। বর্তমান গবেষণা কর্মটি পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হয়েছে তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ
* গবেষণার কাজ বেশ, সময় সাপেক্ষে ব্যাপার হলেও যেহেতু এটা একটি কোর্স তাই অন্যান্য কোর্সের সাথে এর কাজ শেষ করতে হয় সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে। তুই একনিষ্টভাবে গবেষণা কর্মটি শেষ করা বেশীরভাগ সময়ই দুরুহ ব্যাপার হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে অনিচ্ছা সত্ত্বেও গবেষণায় কিছু ভূলত্রুটি হয়ে যেতে পারে।
* কর্মক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় উত্তরপ্রদানে উত্তরদাতার অনীহা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি প্রতিবদ্ধকতা ছিল।
* তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষাৎকার গ্রহনের সময় যে নিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত পরিবেশ দরকার ছিল তা অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
* একটি আদর্শ গবেষণায় সমগ্রকের প্রতিনিধিত্বশীল নমুনা নির্বাচন অত্যাবশ্যক। কিন্তু বর্তমান গবেষণায় গবেষকের সময় ও সামর্থ্যের দিক বিবেচনা করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নমুনায়ন করা হয়েছে।
* সংবেদনশীল প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাবার প্রবনতা দেখা গেছে।
পরিশেষে বলা যায় যে, গবেষণা করতে গেলে কিছুটা দুর্বলতা ও ত্রুটি থাকবেই। একারণে সে বিষয়ে পুনরায় গবেষণা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আর তাই একটি গবেষণা আর একটি গবেষণার দিক নির্দেশনা প্রদান করে। উপযুক্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রত্যক্ষবাবে তথ্য সংগ্রহ পর্যাবেক্ষন এবং অন্যান্য পবেষনা কৌশল অবলম্বন করতে গবেষণা কর্ম পরিচালনা করা হয়েছে বিধায় গবেষণা কর্মের অন্তরায় সমূহ গবেষণার মূল্য উদ্দেশ্যকে প্রভাবিত করবে না বলে আমার বিশ্বাস।
তৃতীয় অধ্যায়
৩.১ সংগৃহীত তথ্য সারনী আকারে উপস্থাপনঃ
সারণী-১
সারণী-২
সারণী-৩
চতুর্থ অধ্যায়
৪.১ গবেষণার ফলাফলঃ
নেতিবাচক ছাত্র রাজনীতি, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস এবং যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় দেশের সচেতন মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। ছাত্রদের ভবিষ্যত্ নিয়ে সবাই শংকিত। আমরা জানি ছাত্র যার অভিধা, অধ্যয়ন তার তপস্যা। ভবিষ্যত্ জীবন সুন্দরভাবে গড়তে অধ্যয়নের মাধ্যমে সাফল্য অর্জনই ছাত্রসমাজের প্রধান কাজ। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হয়ে পড়েছে ছাত্রসমাজ। ছাত্র রাজনীতির যে ঐতিহ্য ছিল, তা আজ বিলীন হতে বসেছে। শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়মানুবর্তিতা, শৃংখলা ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ যেখানে কাঙ্ক্ষিত, সেখানে এর বিপরীত চিত্রই পরিলক্ষিত হচ্ছে বেশি।
ছাত্র রাজনীতি বাংলাদেশে এখন ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। অথচ এ দেশেই রয়েছে ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় অতীত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, '৬৯-এর গণআন্দোলন, '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে ছাত্রসমাজ গৌরবময় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সে অবস্থা এখন আর নেই। স্বাধীন দেশে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছে। এখন ছাত্ররা দেশের স্বার্থের কথা ভাবে না। ভাবে নিজেদের স্বার্থের কথা। রাজনীতিতে তাদের যে আদর্শ ছিল তা আজ ভূলুণ্ঠিত। স্বার্থ যেখানে মুখ্য, সংঘাত সেখানে অনিবার্য। ছাত্র সংগঠনগুলো শুধু যে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে থাকে তা নয়, সংগঠনের অভ্যন্তরেও সংঘাত দানা বেঁধে ওঠে-স্বার্থে সামান্য আঘাত লাগলেই। ছাত্র সংগঠনগুলো অতিমাত্রায় দলীয় রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়ায় তাদের মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে। সংগঠনগুলো সামান্য কারণেই প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হচ্ছে। অনেক মেধাবী ছাত্রের জীবন এভাবে অকালে ঝরে পড়ছে। সংঘাতের কারণে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিঘ্নিত হচ্ছে লেখাপড়ার স্বাভাবিক পরিবেশ।
নেতিবাচক ছাত্র রাজনীতি, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস এবং যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় দেশের সচেতন মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। ছাত্রদের ভবিষ্যত্ নিয়ে সবাই শংকিত। আমরা জানি ছাত্র যার অভিধা, অধ্যয়ন তার তপস্যা। ভবিষ্যত্ জীবন সুন্দরভাবে গড়তে অধ্যয়নের মাধ্যমে সাফল্য অর্জনই ছাত্রসমাজের প্রধান কাজ। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হয়ে পড়েছে ছাত্রসমাজ। ছাত্র রাজনীতির যে ঐতিহ্য ছিল, তা আজ বিলীন হতে বসেছে। শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়মানুবর্তিতা, শৃংখলা ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ যেখানে কাঙ্ক্ষিত, সেখানে এর বিপরীত চিত্রই পরিলক্ষিত হচ্ছে বেশি।
ছাত্র রাজনীতি বাংলাদেশে এখন ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। অথচ এ দেশেই রয়েছে ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় অতীত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, '৬৯-এর গণআন্দোলন, '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে ছাত্রসমাজ গৌরবময় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সে অবস্থা এখন আর নেই। স্বাধীন দেশে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছে। এখন ছাত্ররা দেশের স্বার্থের কথা ভাবে না। ভাবে নিজেদের স্বার্থের কথা। রাজনীতিতে তাদের যে আদর্শ ছিল তা আজ ভূলুণ্ঠিত। স্বার্থ যেখানে মুখ্য, সংঘাত সেখানে অনিবার্য। ছাত্র সংগঠনগুলো শুধু যে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে থাকে তা নয়, সংগঠনের অভ্যন্তরেও সংঘাত দানা বেঁধে ওঠে-স্বার্থে সামান্য আঘাত লাগলেই। ছাত্র সংগঠনগুলো অতিমাত্রায় দলীয় রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়ায় তাদের মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে। সংগঠনগুলো সামান্য কারণেই প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হচ্ছে। অনেক মেধাবী ছাত্রের জীবন এভাবে অকালে ঝরে পড়ছে। সংঘাতের কারণে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিঘ্নিত হচ্ছে লেখাপড়ার স্বাভাবিক পরিবেশ।
পঞ্চম অধ্যায়
৫.১ সুপারিশমালাঃ
৫.২ উপসংহারঃ
ছাত্রজীবন হচ্ছে জ্ঞান অর্জনের সময়। জ্ঞান বিজ্ঞান, ইতিহাস দর্শন নিয়ে ভাবতে হবে, অধ্যয়ন করতে হবে সাহিত্য ও সংস্কৃতি। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতা খুলে দেখতে পাই ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের চিত্র। অশুভ রাজনীতির হাতছানিতে নিজেদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে তারা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ নষ্ট করছে। দলীয় রাজনীতির অশুভ স্রোতে নিজেদের ভাসিয়ে দিলে বিদ্যার্জন ব্যাহত হতে বাধ্য।
এ অবস্থা আর কতদিন চলবে? যে ছাত্রসমাজের ওপর দেশ ও জাতির অনেক আশা আকাঙ্ক্ষা, যারা একদিন দেশের হাল ধরবে, তাদের মধ্যে এ হানাহানি ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ না হলে দেশ কিভাবে উন্নত হবে? অনেক বাবা-মা কষ্ট করে তাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান। অনেক আশা ও স্বপ্ন থাকে তাদের মনেÍএকদিন সন্তান মানুষ হয়ে তাদের ভাগ্যের উন্নতি ঘটাবে। কিন্তু সন্ত্রাসের কারণে যখন তাদের সন্তান লাশ হয়ে বাড়ি আসে, তখন সব স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্যই রাজনীতি এবং তা নিশ্চিত করতে হলে ছাত্রসমাজকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। দেশের শিক্ষা এবং শিক্ষাঙ্গনকে যে সব সমস্যা গ্রাস করেছে, তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ছাত্রদের রাজনীতি হবে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে। ছাত্র সংগঠনগুলো চলবে তাদের নিজস্ব ধারায়। প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আদর্শগত কিছু অমিল থাকলেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তুলতে হবে, প্রতিযোগিতা আর প্রতিহিংসা এক জিনিস নয়। তাহলেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ হবে।
ছাত্র সংগঠনকে রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার ও শক্তির উত্স হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এজন্য আগে সংগঠন চালাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে হবে। ছাত্রছাত্রীরা চাঁদা দিয়ে তাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠনকে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে রক্ষা করতে পারে। অথবা সুষ্ঠু ছাত্র রাজনীতির চর্চায় সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য প্রয়োজন। ছাত্র সংগঠনগুলোতে অছাত্রদের অনুপ্রবেশ রোধেও সচেতন হতে হবে। মোটকথা, শিক্ষার মূল লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শিক্ষাঙ্গনের সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
নমুনা প্রশ্নমালঃ
৫.২ উপসংহারঃ
ছাত্রজীবন হচ্ছে জ্ঞান অর্জনের সময়। জ্ঞান বিজ্ঞান, ইতিহাস দর্শন নিয়ে ভাবতে হবে, অধ্যয়ন করতে হবে সাহিত্য ও সংস্কৃতি। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতা খুলে দেখতে পাই ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের চিত্র। অশুভ রাজনীতির হাতছানিতে নিজেদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে তারা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ নষ্ট করছে। দলীয় রাজনীতির অশুভ স্রোতে নিজেদের ভাসিয়ে দিলে বিদ্যার্জন ব্যাহত হতে বাধ্য।
এ অবস্থা আর কতদিন চলবে? যে ছাত্রসমাজের ওপর দেশ ও জাতির অনেক আশা আকাঙ্ক্ষা, যারা একদিন দেশের হাল ধরবে, তাদের মধ্যে এ হানাহানি ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ না হলে দেশ কিভাবে উন্নত হবে? অনেক বাবা-মা কষ্ট করে তাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান। অনেক আশা ও স্বপ্ন থাকে তাদের মনেÍএকদিন সন্তান মানুষ হয়ে তাদের ভাগ্যের উন্নতি ঘটাবে। কিন্তু সন্ত্রাসের কারণে যখন তাদের সন্তান লাশ হয়ে বাড়ি আসে, তখন সব স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্যই রাজনীতি এবং তা নিশ্চিত করতে হলে ছাত্রসমাজকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। দেশের শিক্ষা এবং শিক্ষাঙ্গনকে যে সব সমস্যা গ্রাস করেছে, তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ছাত্রদের রাজনীতি হবে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে। ছাত্র সংগঠনগুলো চলবে তাদের নিজস্ব ধারায়। প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আদর্শগত কিছু অমিল থাকলেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তুলতে হবে, প্রতিযোগিতা আর প্রতিহিংসা এক জিনিস নয়। তাহলেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ হবে।
ছাত্র সংগঠনকে রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার ও শক্তির উত্স হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এজন্য আগে সংগঠন চালাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে হবে। ছাত্রছাত্রীরা চাঁদা দিয়ে তাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠনকে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে রক্ষা করতে পারে। অথবা সুষ্ঠু ছাত্র রাজনীতির চর্চায় সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য প্রয়োজন। ছাত্র সংগঠনগুলোতে অছাত্রদের অনুপ্রবেশ রোধেও সচেতন হতে হবে। মোটকথা, শিক্ষার মূল লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শিক্ষাঙ্গনের সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
নমুনা প্রশ্নমালঃ

