দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” 

একটি পর্যালোচনা কর

প্রথম অধ্যায়


১.১ বিষয়ের পটভূমিঃ

১৯৩৯ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এযাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ যা ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ এই চার বছর ধরে চলে। জার্মানির সাথে মিত্রপক্ষের যুদ্ধের মাধ্যমে এর সূচনা ঘটে। মিত্রপক্ষে প্রথমদিকে ছিল যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং পোল্যান্ড। জার্মানির সাথে পরবর্তীতে ইতালি যুক্ত হয়ে অক্ষশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। জার্মানি কর্তৃক দখলকৃত কিছু দেশ হতেও অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে সৈন্যবাহিনী প্রেরিত হয়। বিশেষত পূর্ব সীমান্তের যুদ্ধে এই সকল দেশের সৈন্যরা অংশগ্রহণ করে; অন্যান্য জাতিসমূহ মিত্রশক্তির সাথে যোগদান করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন জার্মানির সাথে যেকোন ধরণের আক্রমণ থেকে বিরত থাকার মর্মে অনাক্রমণ চুক্তি (ঘড়হ-ধমমৎবংংরড়হ ঞৎবধঃু) নামে একটি চুক্তি সম্পাদন করেছিল। কিন্তু ১৯৪১ সালের ২২ জুন জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করে এবং এর ফলে সোভিয়েত ইউনিয়নও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর তারিখে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রশক্তির সাথে যোগ দেয়। মূলত জার্মানি এবং জাপান দুই অক্ষশক্তিই যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণ করার মাধ্যমে একে যুদ্ধে ডেকে আনে। অপরদিকে চীনের সাথে জাপানের ছিল পুরাতন শত্রুতা; ১৯৩০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ চলছিল। এর ফলে চীনও মিত্রপক্ষে যোগদান করে। ১৯৪৫ সালে জার্মানি এবং জাপান উভয় দেশের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
এই ভয়াবহ যুদ্ধে আনুমানিক ৬ কোটি ২০ লক্ষ  মানুষ মারা যায় যার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ছিল রাশিয়ার নাগরিক। নিহতের এই সুবিশাল সংখ্যার মূল কারণ ছিল কিছু গণহত্যামূলক অভিযান। যেমন:
  • হলোকাস্ট
  • জেনারেল ইশি শিরো নিয়ন্ত্রিত ৭৩১ নম্বর ইউনিট কর্তৃক পিংফানে পরিচালিত অভিযান
  • উত্তর আফ্রিকা, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ইউরোপের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধসমূহ
  • হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আনবিক বোমা বিস্ফোরণ
  • জার্মানির ড্রেসডেন এবং ফর্জহাইম, টোকিওসহ জাপানের অন্যান্য শহর এবং কোভেন্ট্রি ও লন্ডন সহ বৃটেনের কিছু শহরে অগ্নিবিস্ফোরণ।

এই যুদ্ধে নব্য আবিষ্কৃত অনেক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ ছিল পারমানবিক বোমা। মহাযুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেই এই মারণাস্ত্র উদ্ভাবিত হয় এবং এর ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়েই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সকল পুনর্গঠন কাজ বাদ দিলে কেবল ১৯৪৫ সালেই মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাড়ায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই যুদ্ধের পরপরই সমগ্র ইউরোপ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়; এক অংশ হয় পশ্চিম ইউরোপ আর অন্য অংশে অন্তর্ভুক্ত হয় সোভিয়েত রাশিয়া। পরবর্তীতে এই রাশিয়ান ইউনিয়নই ভেঙে অনেকগুলো ছোট ছোট রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল। পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হয় ন্যাটো আর সমগ্র ইউরোপের দেশসমূহের সীমান্তরেখা নির্ধারিত হতে শুরু করে। ওয়ারস প্যাক্টের মাঝে অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ নিয়ে দানা বেঁধে উঠে স্নায়ুযুদ্ধ। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বমঞ্চে অভিনব এক নাটকের অবতারণা করে।

১.২ গবেষণার ধারণাঃ

মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।

১.৩ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ

আমার গবেষণার বিষয় “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর। । আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নিম্নে উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল ঃ
১.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় কিভাবে এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধরণ সম্পর্কে জানা।
৩.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া
৪.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে কিভাবে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা
 

দ্বিতীয় অধ্যায়


২.১ প্রত্যয়গুলোর সংজ্ঞাঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।

আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর। এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
ক) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
খ) জাপান
গ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন

ক) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ
১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকা মহাদেশ ব্যাপী ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নামে অভিহিত করা হয়। ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ১লা সেপ্টেম্বরে জার্মানী পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এই আক্রমণ ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সময়কাল। কিন্তু এর আগে ইউরোপ ও এশিয়ায় এমন কিছু সংঘর্ষ হয়েছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে বিবেচনা করলে অত্যুক্তি হয় না। সে সময়ের সকল পরাশক্তিই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। এই শক্তিগুলো দুটি মেরুতে বিভক্ত ছিল।......................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

 

এই চুক্তিতে কমিন্টার্নের বিরুদ্ধাচারণ ছাড়াও উল্লেখ করা হয় যে, যদি জার্মান বা জাপান রাশিয়া কর্তৃক আক্রান্ত হয়, তবে উভয় দেশ পরস্পরের পাশে এসে দাঁড়াবে। ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ৬ নভেম্বরে ইতালি কমিন্টার্নবিরোধী শিবিরে যোগদান করে। এর ফলে জার্মান, জাপান ও ইতালি'র ত্রিদেশীয় জোট তৈরি হয়। পরে এই জোট অক্ষশক্তি নামে পরিচিতি লাভ করে। ............................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd



খ) জাপান:
জাপান (জাপানি: 日本 নিপ্পন) এশিয়া মহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। দেশটি এশিয়া মহাদেশের পূর্ব উপকূলের কাছে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। ছোট-বড় সব মিলিয়ে প্রায় ৩,০০০ দ্বীপ নিয়ে জাপান গঠিত। চারটি প্রধান দ্বীপ হল হনশু, হোক্কাইদো, কিয়ুশু এবং শিকোকু। এছাড়াও এখানে আরও অনেক ছোট ছোট দ্বীপ আছে। জাপানিরা জাপানি ভাষায় তাদের দেশকে নিহোং বা নিপ্পোং বলে ডাকে, যার অর্থ "সূর্যের উৎস"। জাপান চীনা সাম্রাজ্যগুলির পূর্বে অবস্থিত বলে এরকম নাম করা হয়েছিল। ইংরেজিতে জাপানকে অনেক সময় ..................................................

গ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন:
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সংজ্ঞা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে যথেষ্ট মতপার্থক্য রয়েছে। বিভিন্নজন তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে একে ব্যাখ্যা করতে সচেষ্ট হয়েছেন। তবে সাধারণভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে কোন দেশের সর্বস্তরের জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে প্রকৃত জাতীয় আয় বৃদ্ধিকে বোঝায়;যা আয়-ব্যয় হ্রাসে অব্যাহত অবদান রাখে, ক্রমবর্ধমান হারে মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করে এবং সর্বোপরি মানুষের জীবন যাপনের মান উন্নয়নে সদা তৎপর থাকে।..........................................................................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd


২.২ নির্ধারিত বিষয়ের পূর্বে গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফলঃ
“দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর শীর্ষক শিরোনামে পূর্বে গবেষনা হয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং গবেষণা হলেও তার ফলাফল সম্পর্কে আমার কোন রকম ধারনা নেই।

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১ গবেষণা পদ্ধতিঃ
কোন বিষয়ে গবেষণার জন্য যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তাকে গবেষণা পদ্ধতি বলে। “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” শীর্ষক টার্মপেপারটি ঐতিহাসিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে।

৩.২ ঐতিহাসিক পদ্ধতিঃ
সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদ্ধতি একটি গুর”ত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত। সমাজের উৎপত্তি, প্রকৃতি, কার্যধারা ও ক্রমবিকাশ সম্বন্ধে জ্ঞান লাভের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।
ঐতিহাসিক পদ্ধতি পরষ্পর নির্ভরশীল দুটি ধারায় প্রবাহিত :
ক) ইতিহাসের দর্শন যা মানুষের আদি থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত ঘটনাবলী ব্যখ্যা কওে ভবিষ্যত গতিধারা নির”পন করে।
খ) জীববিজ্ঞানের বিবর্তনবাদ- যার একটি সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে হলে এর পূর্বের সমাজ সম্পর্কে জানতে হবে। যেমন : শিল্পায়িত সমাজ ও সামন্তবাদ। হাবার্টস্পেসার এ ধারার প্রবর্তক।

৩.৩ ঐতিহাসিক পদ্ধতির বৈশিষ্টঃ
ঐতিহাসিক গবেষণার কতকগুলো বৈশিষ্ট রয়েছে। এগুলো হলঃ
১। অতীত থেকে সংগৃহীত বিষয় বস্তুর বর্ণনাঃ..................................................................................................................
২। প্রামান্য সূত্র সংগ্রহ এবং প্রতিষ্ঠাঃ.............................................................................................................................
৩। ঐতিহাসিক তথ্যগুলো পরিমাপনঃ............................................................................................................................
৪। ঐতিহাসিক লিথনঃ...........................................................................................................................................
৫। ঐতিহাসিক গবেষণার বৈধ্যতা এবং নির্ভরযোগ্যতাঃ........................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

চতুর্থ অধ্যায়


৪.১  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানের পরাজয়ের কারণ পর্যালোচনা :
বিগত তিন শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যা ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল প্রযর্ন্ত প্রায় ছয় বছর স্থায়ী ছিল এবং এ যুদ্ধে প্রায় সারা বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৬ কোটিরও অধিক মানুষ নিহত হয় এবং মারাত্মকভাবে আহত হয় আরও ৩ কোটি যার ৮০% ছিল নিরিহ সাধারণ মানুষ। তৎকালীন এশিয়া মহাদেশের অন্যতম সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্র জাপান জার্মান ও ইতালীর সঙ্গে মিলিত হয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করে এবঽ গোটা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর ব্যাপী এক ভয়াবহ হামলা এবং এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্র দখল ও ধ্বঽসলীলা পরিচালনা করতে থাকে। অন্যদিকে ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল পার্ল হারবারে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী নৌ ঘাটিতে ভয়াবহ আক্রমন ও নেভাল ফীট ধ্বংসের মাধ্যমে জাপান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এক ভয়াবহ যুদ্ধে জরিয়ে পরে। পরবর্তীতে জাপানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পারমানবিক বোমা হামলার পথ তৈরি করে। মুলত ১৯৪৪ থেকে শেষ প্রযর্ন্ত অক্ষশক্তি জার্মান, জাপান ও ইতালী তাদের বিভিন্ন অঞ্চল ও যুদ্ধক্ষেত্রে মারাত্মকভাবে পরাজিত হতে থাকে এবং বিশেষ করে জাপান তার এশিয়ার বিভিন্ন রনাঙ্গনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার পাশাপাশি নিজ ভূখন্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলায় জাপান সামগ্রীকভাবে ধ্বঽসের দ্বারপ্রান্তে উপনিত হয়। বিভিন্ন সেক্টরে জাপানী বাহিনীর হাজার হাজার সৈন্য মৃত্যুবরন করার পাশাপাশি আত্মসমর্পন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। তবে জাপানের পরাজয় সুনিশ্চত জেনেও যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষ প্রান্তে ৬ই আগস্ট ১৯৪৫ সালে তার নিজস্ব কৌশলগত বিমান ইড়রহম ই-২৯ দ্বারা জাপানের হিরোশিমা শহরে এটম বোমা (খরঃঃষব ইড়ু) নিক্ষেপ করে এবং তিন দিন পর..................................................................


৪.২  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে জাপানের অর্থনীতি:

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে জাপানের অর্থনৈতিক কাঠামো একেবারে ভেঙ্গে পড়ে। মিত্রশক্তির হাতে শোচনীয় পরাজয়ের সমকালীন সময়ে জাপানের অর্থনৈকিত উন্নতি ছিল স্বপ্ন মাত্র। এ সময়ের অর্থনৈতিক বৈশিষ্টগুলো নিম্নরুপঃ.............................................................................................

৪.৩  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জাপানের অর্থনীতি:
আত্মসমর্পনের সময়কালে জাপানের অর্থনীতি ছিল ভঙ্গুর প্রায় অবস্থায়। রাজস্ব ছিল প্রায় শূণ্যাবস্থায়, মূলধন তথা কাঁচামালের অভাবে শিল্প ছিল বিপন্ন। উৎপাদন ও বন্টন ব্যবস্থায় ছিল বিশৃঙ্খলা। ...................................................................................................................


৪.৪ জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণ :
জাপানে এ শতাব্দীর আগেও সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থা অনেক দিন ধরে প্রচলিত ছিল অর্থাৎ রাজা বাদশার শাসন ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।জাপান সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ;যুদ্ধে লিপ্ত হয় জার্মানী ও আমেরিকার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর যে কয়টি দেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন করেছে জাপান নি:সন্দেহে তাদের অন্যতম।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে জাপানের শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের যে বিপুল পরিমাণ ক্ষয় ক্ষতি হয়, তা কাটিয়ে উঠে মাত্র দু,দশকের মধ্যেই পৃথিবীর অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।...............................................................
 
৪.৫ বর্তমানে অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসাবে জাপান.:
অতীতে জাপানিরা সাম্রাজ্যবাদী ছিল, অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদীরা যা করেছে জাপানও কমবেশি করেছে সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার জন্য বা অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য। উবিংশ-বিংশ শতাব্দী জুড়ে বিশ্বের সর্বত্র জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছিল জাপানও তার ব্যতিক্রম ছিল না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাকে ব্যাপক মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে বিশ্বরাজনীতির ধারা ধরেই। শক্তিশালী দেশ আর দুর্বল দেশ বিশ্বরাজনীতির সঙ্গে জড়াতে বাধ্য। কিন্তু জাপানের অভাবনীয় উদাহরণটা এখানেই যে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি থেকে দেশটি উপলব্ধি করেছে শান্তি ছাড়া কোনো উপায় নেই। আর ক’টা দেশ এমনটি উপলব্ধি করেছে? ক্ষতিপূরণ হিসেবে কী পরিমাণ আর্থিক সাহায্য দিয়ে চলেছে জাপান তার হিসাব বিশাল এবং বিপুল কেবলমাত্র শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে তাকে সেই টাকা অর্জন করতে হচ্ছে। ..................................................................................................................................
 

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

পঞ্চম অধ্যায়

৫.১ ফলাফলঃ

(১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ ঘটনা । এর ফল হয়েছিল মারাত্মক ও সুদূরপ্রসারী । যুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে ৬ই আগস্ট জাপানের হিরোসিমায় ও ৭ই আগস্ট নাগাসাকিতে আমেরিকা পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করে । আমেরিকার নিক্ষিপ্ত পরমাণু বোমায় জাপানের দুটি শহর হিরোসিমা ও নাগাসাকি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয় । মানুষের ইতিহাসে এতবড় ধ্বংসলীলা আর সংঘটিত হয় নি । এই যুদ্ধের ফলে আমেরিকা ও রাশিয়া পৃথিবীর মধ্যে বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অধিকারী হয় । ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি প্রভৃতি ইউরোপীয় দেশের স্থান হয় দ্বিতীয় সারিতে । ইতালিতে ফ্যাসিবাদী সরকারের জায়গায় প্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় । জার্মানি দ্বিখন্ডিত হয়ে পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি দুইটি দেশে বিভক্ত হয় ।
(২) ..........................................................................................................................................................
(৩) ..........................................................................................................................................................
(৪) ..........................................................................................................................................................

৫.২ সমাপনী বক্তব্যঃ
জাপান দেশটি প্রাচীনকাল থেকেই ক্রমাগত গ্রহণ-বর্জনের মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ পরিগ্রহ করেছে এবং এখনো বদলে চলেছে। বৌদ্ধধর্ম একটি কর্মশক্তিপূর্ণ দর্শন যার প্রভাবে বৌদ্ধধর্মীয় দেশ ও জাতিগুলো দ্রুত বদলাতে পারে। আমার বিগত ৩০ বছরের জাপান অবস্থানকালেই দেখেছি কীভাবে দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে উন্নীত হয়ে গেল দরিদ্র, ঋণগ্রস্ত, সমস্যাবহুল অবস্থা থেকে! যার কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই সেই দেশটির এমন অভাবনীয় অর্থনৈতিক উন্নতি বিশ্ব আর কোনো যুগেই দেখেনি কোথাও! তাই বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন জাপানকে ৪০ বছরের অলৌকিক ঘটনা বলে অভিহিত করেছিল। আমি তাতে বিন্দুমাত্র ভুল দেখি না। ব্যবসা, পরিষেবা ও এবং মানবিকসেবা সম্পর্কে জানতে হলে এই জাপান হচ্ছে উৎকৃষ্ট দেশ।.................

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ
......................................................................................................................................................................

 

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

TERM-PAPER CODE : 1306201708


গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা

গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের  ভূমিকা

গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের  ভূমিকা

প্রথম অধ্যায়


ভূমিকা
বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে স্থানীয় সরকারের বিকাশের একটা সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। গ্রামীণ পর্যায়ে অন্যতম স্থানীয় সরকার বলে স্বীকৃত আজকের ইউনিয়ন পরিষদ যদিও ব্রিটিশ আমলে এবং ব্রিটিশ আদলে পড়া তথাপি এর সূচনা হয়েছিল প্রাচীন কালে।ঋগবেদ মন্তব্য করেছেন যে, স্থানীয় সরকার গ্রামগুলোর মতোই পুরাতন। তবে এর আকৃতি প্রকৃতি সব সময় একই রকম ছিল না। বৈশ্বিক পরিবর্তন, কেন্দ্রে ক্ষমতার উথান-পতন, কেন্দ্র- গ্রাম,সম্পর্ক, স্বাধীন স্থানীয় শাসকের উদ্ভব প্রভৃতি কারণে গ্রামীণ সমাজে স্থানীয় সরকার বিবর্তিত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে  কখনো মহাসভা, কখনো পঞ্চায়েত, কখনো হেডম্যান, কখনো ইউনিয়ন পরিষদ প্রামীণ স্থানীয় সরকার বলে পরিগণিত হয়েছে। যে নামেই পরিচতি হোক না কেন প্রাচীন কাল থেকেই গ্রাম বাংলায় স্থানীয় সরকার কর সংগ্রহ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আসছে। কেন্দ্রে ক্ষমতার পালাবদল, কেন্দ্রের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও এসবের প্রকৃতি স্থানীয় সরকারের কার্যবলি ও প্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

১.১। গবেষণা
সাধারণভাবে বলা যায় যে, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতারং বলা যায় যে, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।

১.২। গবেষণা উদ্দেশ্যঃ
প্রতিটি গবেষণা কর্মের নিদিষ্টতা থাকার প্রয়োজন। আমার গবেষণার বিষয় “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের  ভূমিকা” আমার গবেষণার কাজটির পেছনে একাধিক উদ্দেশ্য রয়েছে যার উপর ভিক্তি করে আমার গবেষণাটি আমি এগিয়ে নিয়েছি। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল।
    ** ইউনিয়ন পরিষদের  ধরণ ও প্রকৃতি সর্ম্পকে জানতে।
    ** ইউনিয়ন পরিষদের  বিশিষ্ট পর্যবেক্ষন।
    ** ইউনিয়ন পরিষদের গঠন  পর্যবেক্ষন।
    ** সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা পর্যবেক্ষন।
   
১.৩। গবেষণরা গুরুত্ব
সামাজিক গবেষণা সমাজ সর্ম্পকে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। সমাজ জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নিম্নরুপ।

১। সমাজ সম্পর্কে জ্ঞানঃ
সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে কোন সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান প্রজ্ঞার নতুন দিক উন্মোচিত করে। এটি সমাজজীবনের সামাজিক বাস্তবতাকে অনুধাবনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
২। সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি ও কারণ সম্পর্কে জানাঃ
পৃথিবীতে এমন কোন সমাজ নেই যেখানে সমস্যা নেই। উন্নয়নশীল দেশ হোক আর উন্নত দেশ হোক সামাজিক সমস্যা থাকবেই। বস্তুত সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে বিদ্যমান এসব সমস্যার সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায় এবং তা থেকে উত্তরণের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মান করা সম্ভব হয়।
৩। সামাজিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নঃ
সামাজিক পকরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গবেষণণার গুরুত্ব অপরিসীম। একমাত্র গবেষণা উপাত্তের উপর ভিত্তি করেই সমাজের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করা সম্ভব হয়।
৪। ভবিষ্যদ্বানীকরণঃ
সামাজিক গবেষণ ভবিষ্যদ্বানী করতে এবং সংস্কারের লক্ষ্যে উপনীত হতে সমাজকে সাহায্য করে। সামাজিক গবেষণা উপাত্তের উপর ভিত্তি করেই সমাজের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করা সম্ভব হয়।
৫। জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারঃ
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর, সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার করে কিভাবে সমাজের অসীম চাহিদাকে সফলতার সাথে মোকাবিলা করে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে উপনতি হওয়া যায় তা সামাজিক গবেষণার উপর নির্ভর করে।
৬। বিজ্ঞানসহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্যঃ
গবেষণার বিজ্ঞান সম্মত তথ্য প্রদান করে। তাই বিজ্ঞান সম্মত তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে গবেষণার গুরুত্ব অত্যধিক।

১.৪। গবেষণার যৌক্তিকতা
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।


১.৫। গবেষণার সীমাবন্ধতা
এ পৃথিবীতে কোন কিছুই সমালোচনার উর্ধ্বে নয়। সব কিছুরই ভালোর পাশাপাশি মন্দের, গুরুত্বের পাশাপাশি সীমাবদ্ধতা থাকবেই। ঠিক তেমনি সামাজিক গবেষণাও রয়েছে কিছু সীমাবদ্ধতা। নিচে তার উল্লেখ করা হল।

সময় সাপেক্ষঃ
 গবেষণার কাজ বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আমার জন্য বরাদ্দ সময় ছিল তুলনামুলক ভাবে কম।
উপযুক্ত পরিবেশের অভাবঃ
 তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষৎকার গ্রহনে সময় যে নিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত পরিবেশ দরকার ছিল তা অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভাব হয়নি।
উত্তরদাতার অনিহাঃ 
কর্মক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় উত্তর প্রদানে উত্তর দাতার অনীহা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি পতিবন্ধকতা ছিল।
নিরপেক্ষতার অভাবঃ  
বস্তুু নিরপেক্ষ ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ দুরুহ হয়ে পড়ায় এখানে নিরপেক্ষতার অভাব থাকতে পারে।

১.৬। গবেষনা সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ঃ
যে কোন গবেষনণর ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সাধারন ভাবে প্রত্যয় হল কতক গুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা,বস্তু বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয় লক্ষ করা যায় তা হলোঃ

ইউনিয়ন পরিষদ
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


১.৭    । গবেষণা পুস্তক পর্যালোচনা
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

দ্বিতীয় অধ্যায়

২.১। গবেষণার পদ্ধতি
সামাজিক গবেষণার অপরিহার্ষ উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পূর্ণাঙ্গ রুপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞান মনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। তাই সঠিক গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন না কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা অনিবার্য।
সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।

২.২। জরিপ পদ্ধতি
সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অত্যান্ত নিয়তান্ত্রিকভাবে কাঙ্খক্ষিত তথ্য সংগ্রহ করা যায়।এই পদ্ধতিতে গবেষক আগে থেকেই নিশ্চিত হয়ে নেন যে তিনি নির্দিষ্ট তথ্য সমূহ সংগ্রহ করতে চান।
সাধারনভাবে বলা যায়,জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে কোন বিষয় সর্ম্পকে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা।
সূতারাং বলা যায়, কোন এলাকায় জনগনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের কৌশল হল জরিপ পদ্ধতি।
যৌক্তিকতা
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।

২.৩। তথ্য সংগ্রহের কৌশল
সামাজিক গবেষণার জন্য তথা তথ্য সংগ্রহের জন্য সাধারণত : পরীক্ষন, আপাত পরীক্ষন, এবং অপরীক্ষনের অর্ন্তভুক্ত পর্যবেক্ষন,সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা এবং অভিক্ষন কৌশলের ব্যবহার সর্বাধিক।

প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষাৎকার একটি রুপক ব্যবহ্নত কৌশল।তবে পর্যবেক্ষন ও প্রশ্নমালা বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার। আমার গবেষণায় ব্যবহ্নত তথ্য সমূহ প্রাথমিক তথ্য। তাই সাক্ষাৎকার কেঊ এই গবেষণার তথ্য সংগ্রহের প্রধান কৌশল হিসাবে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যের গ্রহনযোগ্যতা ও নির্ভরতা নিশ্চিত করতে সহযোগী কৌশল হিসাবে এখানে প্রশ্নমালার ব্যবহার করা হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহের কৌশল হিসাবে আমি নমুনায়নের সাহায্য নিয়েছি। নমুনায়ন হলো একটি সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া যেকোন গবেষণা কাজ পরিচালনা করার জন্য নমুনায়ন একটি বিশেষ কৌশল। সাধারন অর্থে নমুনায়ন হচ্ছে একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক পদ্ধতি যার সাহয্যে সমগ্রক থেকে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়ন বা নির্বাচন করা হয়। এই গবেষণায় আমি বাঁকড়া ইউনিয়ন এর ৩০০ লোকদের মধ্য থেকে ২০ জনকে সমগ্রকের প্রতিনিধি হিসাবে বেছে নিয়েছি। কারণ সেখানে অনেক মানুষ আছে এবং আমার একার পক্ষে এত অল্প সময়ে সকল মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া সম্ভব নয়। তাই তদের প্রতিনিধিত্বশীল অংশ বেছে নিয়েছি।

গবেষণার সঠিকতা ও সফলতার কথা বিবেচনা করে বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যতা ও ধারাবাহিকতা রেখে আমি প্রশ্ন সম্বলিত একটি অনুসূচী ব্যবহার করেছি।

বলাবাহুল্য  ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যদি জানার জন্য আমার গবেষণা সাক্ষাৎকার অনুসূচীতে উদ্দেশ্যমূলক সহজ সরল ও সুপষ্ট প্রশ্নমালা উপস্থাপন করেছি। সর্বপরি আমি জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে উত্তরদাতাদের কথা- বার্তা,চাল-চলন, আচার ব্যবহার এবং পারস্পরিক মনোভাব অনুধাবণের চেষ্টা করেছি।


২.৪। গবেষণা ক্ষেত্র ও এলাকা পরিচিতি
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১। ইউনিয়ন পরিষদ

৩.২ ইউনিয়ন পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো :

৩.৩। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১। সংগৃতীত তথ্য সারণী আকারে উপস্থাপন ও বিশ্লেষণঃ
সারণী নং-১
সারণী নং-২
সারণী নং-৩

৪.২। গবেষণার ফলাফল
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

৪.৩। সুপারিশমালাঃ
এই ক্ষেত্রে কতিপয় সুপারিশসমূহ উল্লেখ্য করা হলো।
  • ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশীল করতে হবে।
  • ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে হবে।
  • আইন সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে হবে।
  • সকলে জন্য সমান আইন নিশ্চিত করতে হবে।
  • ইউনিয়ন পরিষদ সাংগঠনিক কাঠামো সুষ্ঠ হতে হবে।
  • সুষ্ঠ নির্বাচনে নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে।
 ৪.৪। উপসংহার
স্থানীয় সরকার মূলত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক এলাকার জনস্বার্থে নিয়োজিত এক প্রশাসন ব্যবস্থা, যা কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং সমস্ত নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ স¤ভব নয়। তাই গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারের একার পক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ করে এলাকা ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব নয়। তাই এলাকাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং এলাকাভিত্তিক চাহিদা নিরুপণে স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশষ করে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোন কর্মসূচীই বাস্তবায়িত হতে পারে না। এক্ষেত্রে স্থÍানীয় সরকার ব্যবস্থাক গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মূল্যবোধ অনুশীলনের মাধ্যমে জনগনের স্বত:স্ফ’র্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কর্মসূচীসমূহ বাস্তবায়নে অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

নমুনা প্রশ্নমালাঃ
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ


TERM-PAPER CODE : 0606201707