দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” 

একটি পর্যালোচনা কর

প্রথম অধ্যায়


১.১ বিষয়ের পটভূমিঃ

১৯৩৯ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এযাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ যা ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ এই চার বছর ধরে চলে। জার্মানির সাথে মিত্রপক্ষের যুদ্ধের মাধ্যমে এর সূচনা ঘটে। মিত্রপক্ষে প্রথমদিকে ছিল যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং পোল্যান্ড। জার্মানির সাথে পরবর্তীতে ইতালি যুক্ত হয়ে অক্ষশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। জার্মানি কর্তৃক দখলকৃত কিছু দেশ হতেও অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে সৈন্যবাহিনী প্রেরিত হয়। বিশেষত পূর্ব সীমান্তের যুদ্ধে এই সকল দেশের সৈন্যরা অংশগ্রহণ করে; অন্যান্য জাতিসমূহ মিত্রশক্তির সাথে যোগদান করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন জার্মানির সাথে যেকোন ধরণের আক্রমণ থেকে বিরত থাকার মর্মে অনাক্রমণ চুক্তি (ঘড়হ-ধমমৎবংংরড়হ ঞৎবধঃু) নামে একটি চুক্তি সম্পাদন করেছিল। কিন্তু ১৯৪১ সালের ২২ জুন জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করে এবং এর ফলে সোভিয়েত ইউনিয়নও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর তারিখে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রশক্তির সাথে যোগ দেয়। মূলত জার্মানি এবং জাপান দুই অক্ষশক্তিই যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণ করার মাধ্যমে একে যুদ্ধে ডেকে আনে। অপরদিকে চীনের সাথে জাপানের ছিল পুরাতন শত্রুতা; ১৯৩০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ চলছিল। এর ফলে চীনও মিত্রপক্ষে যোগদান করে। ১৯৪৫ সালে জার্মানি এবং জাপান উভয় দেশের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
এই ভয়াবহ যুদ্ধে আনুমানিক ৬ কোটি ২০ লক্ষ  মানুষ মারা যায় যার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ছিল রাশিয়ার নাগরিক। নিহতের এই সুবিশাল সংখ্যার মূল কারণ ছিল কিছু গণহত্যামূলক অভিযান। যেমন:
  • হলোকাস্ট
  • জেনারেল ইশি শিরো নিয়ন্ত্রিত ৭৩১ নম্বর ইউনিট কর্তৃক পিংফানে পরিচালিত অভিযান
  • উত্তর আফ্রিকা, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ইউরোপের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধসমূহ
  • হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আনবিক বোমা বিস্ফোরণ
  • জার্মানির ড্রেসডেন এবং ফর্জহাইম, টোকিওসহ জাপানের অন্যান্য শহর এবং কোভেন্ট্রি ও লন্ডন সহ বৃটেনের কিছু শহরে অগ্নিবিস্ফোরণ।

এই যুদ্ধে নব্য আবিষ্কৃত অনেক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ ছিল পারমানবিক বোমা। মহাযুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যেই এই মারণাস্ত্র উদ্ভাবিত হয় এবং এর ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়েই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সকল পুনর্গঠন কাজ বাদ দিলে কেবল ১৯৪৫ সালেই মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাড়ায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই যুদ্ধের পরপরই সমগ্র ইউরোপ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়; এক অংশ হয় পশ্চিম ইউরোপ আর অন্য অংশে অন্তর্ভুক্ত হয় সোভিয়েত রাশিয়া। পরবর্তীতে এই রাশিয়ান ইউনিয়নই ভেঙে অনেকগুলো ছোট ছোট রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল। পশ্চিম ইউরোপের দেশসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হয় ন্যাটো আর সমগ্র ইউরোপের দেশসমূহের সীমান্তরেখা নির্ধারিত হতে শুরু করে। ওয়ারস প্যাক্টের মাঝে অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহ নিয়ে দানা বেঁধে উঠে স্নায়ুযুদ্ধ। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বমঞ্চে অভিনব এক নাটকের অবতারণা করে।

১.২ গবেষণার ধারণাঃ

মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।

১.৩ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ

আমার গবেষণার বিষয় “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর। । আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নিম্নে উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল ঃ
১.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় কিভাবে এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধরণ সম্পর্কে জানা।
৩.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া
৪.    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে কিভাবে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা
 

দ্বিতীয় অধ্যায়


২.১ প্রত্যয়গুলোর সংজ্ঞাঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।

আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর। এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
ক) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
খ) জাপান
গ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন

ক) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ
১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকা মহাদেশ ব্যাপী ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নামে অভিহিত করা হয়। ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ১লা সেপ্টেম্বরে জার্মানী পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এই আক্রমণ ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সময়কাল। কিন্তু এর আগে ইউরোপ ও এশিয়ায় এমন কিছু সংঘর্ষ হয়েছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে বিবেচনা করলে অত্যুক্তি হয় না। সে সময়ের সকল পরাশক্তিই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। এই শক্তিগুলো দুটি মেরুতে বিভক্ত ছিল।......................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

 

এই চুক্তিতে কমিন্টার্নের বিরুদ্ধাচারণ ছাড়াও উল্লেখ করা হয় যে, যদি জার্মান বা জাপান রাশিয়া কর্তৃক আক্রান্ত হয়, তবে উভয় দেশ পরস্পরের পাশে এসে দাঁড়াবে। ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ৬ নভেম্বরে ইতালি কমিন্টার্নবিরোধী শিবিরে যোগদান করে। এর ফলে জার্মান, জাপান ও ইতালি'র ত্রিদেশীয় জোট তৈরি হয়। পরে এই জোট অক্ষশক্তি নামে পরিচিতি লাভ করে। ............................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd



খ) জাপান:
জাপান (জাপানি: 日本 নিপ্পন) এশিয়া মহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। দেশটি এশিয়া মহাদেশের পূর্ব উপকূলের কাছে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। ছোট-বড় সব মিলিয়ে প্রায় ৩,০০০ দ্বীপ নিয়ে জাপান গঠিত। চারটি প্রধান দ্বীপ হল হনশু, হোক্কাইদো, কিয়ুশু এবং শিকোকু। এছাড়াও এখানে আরও অনেক ছোট ছোট দ্বীপ আছে। জাপানিরা জাপানি ভাষায় তাদের দেশকে নিহোং বা নিপ্পোং বলে ডাকে, যার অর্থ "সূর্যের উৎস"। জাপান চীনা সাম্রাজ্যগুলির পূর্বে অবস্থিত বলে এরকম নাম করা হয়েছিল। ইংরেজিতে জাপানকে অনেক সময় ..................................................

গ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন:
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সংজ্ঞা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে যথেষ্ট মতপার্থক্য রয়েছে। বিভিন্নজন তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে একে ব্যাখ্যা করতে সচেষ্ট হয়েছেন। তবে সাধারণভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে কোন দেশের সর্বস্তরের জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে প্রকৃত জাতীয় আয় বৃদ্ধিকে বোঝায়;যা আয়-ব্যয় হ্রাসে অব্যাহত অবদান রাখে, ক্রমবর্ধমান হারে মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করে এবং সর্বোপরি মানুষের জীবন যাপনের মান উন্নয়নে সদা তৎপর থাকে।..........................................................................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd


২.২ নির্ধারিত বিষয়ের পূর্বে গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফলঃ
“দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” একটি পর্যালোচনা কর শীর্ষক শিরোনামে পূর্বে গবেষনা হয়েছে বলে আমার জানা নাই এবং গবেষণা হলেও তার ফলাফল সম্পর্কে আমার কোন রকম ধারনা নেই।

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১ গবেষণা পদ্ধতিঃ
কোন বিষয়ে গবেষণার জন্য যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তাকে গবেষণা পদ্ধতি বলে। “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ সুগম করেছে” শীর্ষক টার্মপেপারটি ঐতিহাসিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে।

৩.২ ঐতিহাসিক পদ্ধতিঃ
সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদ্ধতি একটি গুর”ত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত। সমাজের উৎপত্তি, প্রকৃতি, কার্যধারা ও ক্রমবিকাশ সম্বন্ধে জ্ঞান লাভের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।
ঐতিহাসিক পদ্ধতি পরষ্পর নির্ভরশীল দুটি ধারায় প্রবাহিত :
ক) ইতিহাসের দর্শন যা মানুষের আদি থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত ঘটনাবলী ব্যখ্যা কওে ভবিষ্যত গতিধারা নির”পন করে।
খ) জীববিজ্ঞানের বিবর্তনবাদ- যার একটি সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে হলে এর পূর্বের সমাজ সম্পর্কে জানতে হবে। যেমন : শিল্পায়িত সমাজ ও সামন্তবাদ। হাবার্টস্পেসার এ ধারার প্রবর্তক।

৩.৩ ঐতিহাসিক পদ্ধতির বৈশিষ্টঃ
ঐতিহাসিক গবেষণার কতকগুলো বৈশিষ্ট রয়েছে। এগুলো হলঃ
১। অতীত থেকে সংগৃহীত বিষয় বস্তুর বর্ণনাঃ..................................................................................................................
২। প্রামান্য সূত্র সংগ্রহ এবং প্রতিষ্ঠাঃ.............................................................................................................................
৩। ঐতিহাসিক তথ্যগুলো পরিমাপনঃ............................................................................................................................
৪। ঐতিহাসিক লিথনঃ...........................................................................................................................................
৫। ঐতিহাসিক গবেষণার বৈধ্যতা এবং নির্ভরযোগ্যতাঃ........................................................................................................

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

চতুর্থ অধ্যায়


৪.১  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানের পরাজয়ের কারণ পর্যালোচনা :
বিগত তিন শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যা ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল প্রযর্ন্ত প্রায় ছয় বছর স্থায়ী ছিল এবং এ যুদ্ধে প্রায় সারা বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৬ কোটিরও অধিক মানুষ নিহত হয় এবং মারাত্মকভাবে আহত হয় আরও ৩ কোটি যার ৮০% ছিল নিরিহ সাধারণ মানুষ। তৎকালীন এশিয়া মহাদেশের অন্যতম সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্র জাপান জার্মান ও ইতালীর সঙ্গে মিলিত হয়ে যুদ্ধ ঘোষনা করে এবঽ গোটা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর ব্যাপী এক ভয়াবহ হামলা এবং এশিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্র দখল ও ধ্বঽসলীলা পরিচালনা করতে থাকে। অন্যদিকে ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল পার্ল হারবারে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী নৌ ঘাটিতে ভয়াবহ আক্রমন ও নেভাল ফীট ধ্বংসের মাধ্যমে জাপান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এক ভয়াবহ যুদ্ধে জরিয়ে পরে। পরবর্তীতে জাপানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পারমানবিক বোমা হামলার পথ তৈরি করে। মুলত ১৯৪৪ থেকে শেষ প্রযর্ন্ত অক্ষশক্তি জার্মান, জাপান ও ইতালী তাদের বিভিন্ন অঞ্চল ও যুদ্ধক্ষেত্রে মারাত্মকভাবে পরাজিত হতে থাকে এবং বিশেষ করে জাপান তার এশিয়ার বিভিন্ন রনাঙ্গনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার পাশাপাশি নিজ ভূখন্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলায় জাপান সামগ্রীকভাবে ধ্বঽসের দ্বারপ্রান্তে উপনিত হয়। বিভিন্ন সেক্টরে জাপানী বাহিনীর হাজার হাজার সৈন্য মৃত্যুবরন করার পাশাপাশি আত্মসমর্পন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। তবে জাপানের পরাজয় সুনিশ্চত জেনেও যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষ প্রান্তে ৬ই আগস্ট ১৯৪৫ সালে তার নিজস্ব কৌশলগত বিমান ইড়রহম ই-২৯ দ্বারা জাপানের হিরোশিমা শহরে এটম বোমা (খরঃঃষব ইড়ু) নিক্ষেপ করে এবং তিন দিন পর..................................................................


৪.২  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে জাপানের অর্থনীতি:

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে জাপানের অর্থনৈতিক কাঠামো একেবারে ভেঙ্গে পড়ে। মিত্রশক্তির হাতে শোচনীয় পরাজয়ের সমকালীন সময়ে জাপানের অর্থনৈকিত উন্নতি ছিল স্বপ্ন মাত্র। এ সময়ের অর্থনৈতিক বৈশিষ্টগুলো নিম্নরুপঃ.............................................................................................

৪.৩  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জাপানের অর্থনীতি:
আত্মসমর্পনের সময়কালে জাপানের অর্থনীতি ছিল ভঙ্গুর প্রায় অবস্থায়। রাজস্ব ছিল প্রায় শূণ্যাবস্থায়, মূলধন তথা কাঁচামালের অভাবে শিল্প ছিল বিপন্ন। উৎপাদন ও বন্টন ব্যবস্থায় ছিল বিশৃঙ্খলা। ...................................................................................................................


৪.৪ জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণ :
জাপানে এ শতাব্দীর আগেও সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থা অনেক দিন ধরে প্রচলিত ছিল অর্থাৎ রাজা বাদশার শাসন ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।জাপান সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ;যুদ্ধে লিপ্ত হয় জার্মানী ও আমেরিকার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর যে কয়টি দেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন করেছে জাপান নি:সন্দেহে তাদের অন্যতম।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে জাপানের শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের যে বিপুল পরিমাণ ক্ষয় ক্ষতি হয়, তা কাটিয়ে উঠে মাত্র দু,দশকের মধ্যেই পৃথিবীর অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।...............................................................
 
৪.৫ বর্তমানে অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসাবে জাপান.:
অতীতে জাপানিরা সাম্রাজ্যবাদী ছিল, অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদীরা যা করেছে জাপানও কমবেশি করেছে সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার জন্য বা অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য। উবিংশ-বিংশ শতাব্দী জুড়ে বিশ্বের সর্বত্র জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছিল জাপানও তার ব্যতিক্রম ছিল না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তাকে ব্যাপক মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে বিশ্বরাজনীতির ধারা ধরেই। শক্তিশালী দেশ আর দুর্বল দেশ বিশ্বরাজনীতির সঙ্গে জড়াতে বাধ্য। কিন্তু জাপানের অভাবনীয় উদাহরণটা এখানেই যে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি থেকে দেশটি উপলব্ধি করেছে শান্তি ছাড়া কোনো উপায় নেই। আর ক’টা দেশ এমনটি উপলব্ধি করেছে? ক্ষতিপূরণ হিসেবে কী পরিমাণ আর্থিক সাহায্য দিয়ে চলেছে জাপান তার হিসাব বিশাল এবং বিপুল কেবলমাত্র শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে তাকে সেই টাকা অর্জন করতে হচ্ছে। ..................................................................................................................................
 

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

পঞ্চম অধ্যায়

৫.১ ফলাফলঃ

(১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ ঘটনা । এর ফল হয়েছিল মারাত্মক ও সুদূরপ্রসারী । যুদ্ধের শেষ দিকে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে ৬ই আগস্ট জাপানের হিরোসিমায় ও ৭ই আগস্ট নাগাসাকিতে আমেরিকা পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করে । আমেরিকার নিক্ষিপ্ত পরমাণু বোমায় জাপানের দুটি শহর হিরোসিমা ও নাগাসাকি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয় । মানুষের ইতিহাসে এতবড় ধ্বংসলীলা আর সংঘটিত হয় নি । এই যুদ্ধের ফলে আমেরিকা ও রাশিয়া পৃথিবীর মধ্যে বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অধিকারী হয় । ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি প্রভৃতি ইউরোপীয় দেশের স্থান হয় দ্বিতীয় সারিতে । ইতালিতে ফ্যাসিবাদী সরকারের জায়গায় প্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় । জার্মানি দ্বিখন্ডিত হয়ে পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি দুইটি দেশে বিভক্ত হয় ।
(২) ..........................................................................................................................................................
(৩) ..........................................................................................................................................................
(৪) ..........................................................................................................................................................

৫.২ সমাপনী বক্তব্যঃ
জাপান দেশটি প্রাচীনকাল থেকেই ক্রমাগত গ্রহণ-বর্জনের মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ পরিগ্রহ করেছে এবং এখনো বদলে চলেছে। বৌদ্ধধর্ম একটি কর্মশক্তিপূর্ণ দর্শন যার প্রভাবে বৌদ্ধধর্মীয় দেশ ও জাতিগুলো দ্রুত বদলাতে পারে। আমার বিগত ৩০ বছরের জাপান অবস্থানকালেই দেখেছি কীভাবে দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তিতে উন্নীত হয়ে গেল দরিদ্র, ঋণগ্রস্ত, সমস্যাবহুল অবস্থা থেকে! যার কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই সেই দেশটির এমন অভাবনীয় অর্থনৈতিক উন্নতি বিশ্ব আর কোনো যুগেই দেখেনি কোথাও! তাই বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন জাপানকে ৪০ বছরের অলৌকিক ঘটনা বলে অভিহিত করেছিল। আমি তাতে বিন্দুমাত্র ভুল দেখি না। ব্যবসা, পরিষেবা ও এবং মানবিকসেবা সম্পর্কে জানতে হলে এই জাপান হচ্ছে উৎকৃষ্ট দেশ।.................

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ
......................................................................................................................................................................

 

“কন্টেন্ট নিরাপত্তার স্বার্থে টার্ম পেপারের এই অংশগুলি গোপন রাখা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটি পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ পাভেল-০১৭৫৮৩৩৬৭৫৫। নতুন নতুন টার্ম পেপার এর টপিক গুলি সম্পর্কে আপডেট পেতে লাইক দিন আমাদের ফেইসবুক পেজ এ”

https://www.facebook.com/assignment4allbd

TERM-PAPER CODE : 1306201708


গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা

গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের  ভূমিকা

গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের  ভূমিকা

প্রথম অধ্যায়


ভূমিকা
বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে স্থানীয় সরকারের বিকাশের একটা সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। গ্রামীণ পর্যায়ে অন্যতম স্থানীয় সরকার বলে স্বীকৃত আজকের ইউনিয়ন পরিষদ যদিও ব্রিটিশ আমলে এবং ব্রিটিশ আদলে পড়া তথাপি এর সূচনা হয়েছিল প্রাচীন কালে।ঋগবেদ মন্তব্য করেছেন যে, স্থানীয় সরকার গ্রামগুলোর মতোই পুরাতন। তবে এর আকৃতি প্রকৃতি সব সময় একই রকম ছিল না। বৈশ্বিক পরিবর্তন, কেন্দ্রে ক্ষমতার উথান-পতন, কেন্দ্র- গ্রাম,সম্পর্ক, স্বাধীন স্থানীয় শাসকের উদ্ভব প্রভৃতি কারণে গ্রামীণ সমাজে স্থানীয় সরকার বিবর্তিত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে  কখনো মহাসভা, কখনো পঞ্চায়েত, কখনো হেডম্যান, কখনো ইউনিয়ন পরিষদ প্রামীণ স্থানীয় সরকার বলে পরিগণিত হয়েছে। যে নামেই পরিচতি হোক না কেন প্রাচীন কাল থেকেই গ্রাম বাংলায় স্থানীয় সরকার কর সংগ্রহ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আসছে। কেন্দ্রে ক্ষমতার পালাবদল, কেন্দ্রের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও এসবের প্রকৃতি স্থানীয় সরকারের কার্যবলি ও প্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

১.১। গবেষণা
সাধারণভাবে বলা যায় যে, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতারং বলা যায় যে, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।

১.২। গবেষণা উদ্দেশ্যঃ
প্রতিটি গবেষণা কর্মের নিদিষ্টতা থাকার প্রয়োজন। আমার গবেষণার বিষয় “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের ইউনিয়ন পরিষদের  ভূমিকা” আমার গবেষণার কাজটির পেছনে একাধিক উদ্দেশ্য রয়েছে যার উপর ভিক্তি করে আমার গবেষণাটি আমি এগিয়ে নিয়েছি। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল।
    ** ইউনিয়ন পরিষদের  ধরণ ও প্রকৃতি সর্ম্পকে জানতে।
    ** ইউনিয়ন পরিষদের  বিশিষ্ট পর্যবেক্ষন।
    ** ইউনিয়ন পরিষদের গঠন  পর্যবেক্ষন।
    ** সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা পর্যবেক্ষন।
   
১.৩। গবেষণরা গুরুত্ব
সামাজিক গবেষণা সমাজ সর্ম্পকে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। সমাজ জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নিম্নরুপ।

১। সমাজ সম্পর্কে জ্ঞানঃ
সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে কোন সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান প্রজ্ঞার নতুন দিক উন্মোচিত করে। এটি সমাজজীবনের সামাজিক বাস্তবতাকে অনুধাবনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
২। সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি ও কারণ সম্পর্কে জানাঃ
পৃথিবীতে এমন কোন সমাজ নেই যেখানে সমস্যা নেই। উন্নয়নশীল দেশ হোক আর উন্নত দেশ হোক সামাজিক সমস্যা থাকবেই। বস্তুত সামাজিক গবেষণার মাধ্যমে বিদ্যমান এসব সমস্যার সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায় এবং তা থেকে উত্তরণের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মান করা সম্ভব হয়।
৩। সামাজিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নঃ
সামাজিক পকরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গবেষণণার গুরুত্ব অপরিসীম। একমাত্র গবেষণা উপাত্তের উপর ভিত্তি করেই সমাজের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করা সম্ভব হয়।
৪। ভবিষ্যদ্বানীকরণঃ
সামাজিক গবেষণ ভবিষ্যদ্বানী করতে এবং সংস্কারের লক্ষ্যে উপনীত হতে সমাজকে সাহায্য করে। সামাজিক গবেষণা উপাত্তের উপর ভিত্তি করেই সমাজের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করা সম্ভব হয়।
৫। জনসংখ্যা ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারঃ
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর, সীমিত সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার করে কিভাবে সমাজের অসীম চাহিদাকে সফলতার সাথে মোকাবিলা করে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে উপনতি হওয়া যায় তা সামাজিক গবেষণার উপর নির্ভর করে।
৬। বিজ্ঞানসহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্যঃ
গবেষণার বিজ্ঞান সম্মত তথ্য প্রদান করে। তাই বিজ্ঞান সম্মত তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে গবেষণার গুরুত্ব অত্যধিক।

১.৪। গবেষণার যৌক্তিকতা
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।


১.৫। গবেষণার সীমাবন্ধতা
এ পৃথিবীতে কোন কিছুই সমালোচনার উর্ধ্বে নয়। সব কিছুরই ভালোর পাশাপাশি মন্দের, গুরুত্বের পাশাপাশি সীমাবদ্ধতা থাকবেই। ঠিক তেমনি সামাজিক গবেষণাও রয়েছে কিছু সীমাবদ্ধতা। নিচে তার উল্লেখ করা হল।

সময় সাপেক্ষঃ
 গবেষণার কাজ বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আমার জন্য বরাদ্দ সময় ছিল তুলনামুলক ভাবে কম।
উপযুক্ত পরিবেশের অভাবঃ
 তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষৎকার গ্রহনে সময় যে নিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত পরিবেশ দরকার ছিল তা অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভাব হয়নি।
উত্তরদাতার অনিহাঃ 
কর্মক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় উত্তর প্রদানে উত্তর দাতার অনীহা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অন্যতম একটি পতিবন্ধকতা ছিল।
নিরপেক্ষতার অভাবঃ  
বস্তুু নিরপেক্ষ ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ দুরুহ হয়ে পড়ায় এখানে নিরপেক্ষতার অভাব থাকতে পারে।

১.৬। গবেষনা সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ঃ
যে কোন গবেষনণর ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সাধারন ভাবে প্রত্যয় হল কতক গুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা,বস্তু বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “গ্রামীণ সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয় লক্ষ করা যায় তা হলোঃ

ইউনিয়ন পরিষদ
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


১.৭    । গবেষণা পুস্তক পর্যালোচনা
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

দ্বিতীয় অধ্যায়

২.১। গবেষণার পদ্ধতি
সামাজিক গবেষণার অপরিহার্ষ উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পূর্ণাঙ্গ রুপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞান মনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। তাই সঠিক গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন না কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা অনিবার্য।
সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।

২.২। জরিপ পদ্ধতি
সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অত্যান্ত নিয়তান্ত্রিকভাবে কাঙ্খক্ষিত তথ্য সংগ্রহ করা যায়।এই পদ্ধতিতে গবেষক আগে থেকেই নিশ্চিত হয়ে নেন যে তিনি নির্দিষ্ট তথ্য সমূহ সংগ্রহ করতে চান।
সাধারনভাবে বলা যায়,জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে কোন বিষয় সর্ম্পকে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা।
সূতারাং বলা যায়, কোন এলাকায় জনগনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের কৌশল হল জরিপ পদ্ধতি।
যৌক্তিকতা
জরিপ পদ্ধতির সাহায্য অতি অল্প সময়ের এবং বস্তু নির্ষ্টতার সাথে তথ্য সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে আমি আমার গবেষণা কর্ম সর্ম্পাদনে এ পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছি।এ পদ্ধতির মাধ্যেমে উত্তর দাতার সাথে গবেষকের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।ফলে অনেক অজানা ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরাট সংখ্যক জনগনের উপর নমুনায়ন এর মাধ্যমে বাছাই করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। বিধায় সামগ্রক সর্ম্পকে অধিক সামান্যকরণ যোগ্যতা পায়। তাই আমি এসব দিক বিবেচনা করে আমার নির্ধারিত গবেষণার জন্য উল্লেখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছি।

২.৩। তথ্য সংগ্রহের কৌশল
সামাজিক গবেষণার জন্য তথা তথ্য সংগ্রহের জন্য সাধারণত : পরীক্ষন, আপাত পরীক্ষন, এবং অপরীক্ষনের অর্ন্তভুক্ত পর্যবেক্ষন,সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা এবং অভিক্ষন কৌশলের ব্যবহার সর্বাধিক।

প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষাৎকার একটি রুপক ব্যবহ্নত কৌশল।তবে পর্যবেক্ষন ও প্রশ্নমালা বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার। আমার গবেষণায় ব্যবহ্নত তথ্য সমূহ প্রাথমিক তথ্য। তাই সাক্ষাৎকার কেঊ এই গবেষণার তথ্য সংগ্রহের প্রধান কৌশল হিসাবে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যের গ্রহনযোগ্যতা ও নির্ভরতা নিশ্চিত করতে সহযোগী কৌশল হিসাবে এখানে প্রশ্নমালার ব্যবহার করা হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহের কৌশল হিসাবে আমি নমুনায়নের সাহায্য নিয়েছি। নমুনায়ন হলো একটি সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া যেকোন গবেষণা কাজ পরিচালনা করার জন্য নমুনায়ন একটি বিশেষ কৌশল। সাধারন অর্থে নমুনায়ন হচ্ছে একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক পদ্ধতি যার সাহয্যে সমগ্রক থেকে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়ন বা নির্বাচন করা হয়। এই গবেষণায় আমি বাঁকড়া ইউনিয়ন এর ৩০০ লোকদের মধ্য থেকে ২০ জনকে সমগ্রকের প্রতিনিধি হিসাবে বেছে নিয়েছি। কারণ সেখানে অনেক মানুষ আছে এবং আমার একার পক্ষে এত অল্প সময়ে সকল মানুষের সাক্ষাৎকার নেয়া সম্ভব নয়। তাই তদের প্রতিনিধিত্বশীল অংশ বেছে নিয়েছি।

গবেষণার সঠিকতা ও সফলতার কথা বিবেচনা করে বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যতা ও ধারাবাহিকতা রেখে আমি প্রশ্ন সম্বলিত একটি অনুসূচী ব্যবহার করেছি।

বলাবাহুল্য  ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যদি জানার জন্য আমার গবেষণা সাক্ষাৎকার অনুসূচীতে উদ্দেশ্যমূলক সহজ সরল ও সুপষ্ট প্রশ্নমালা উপস্থাপন করেছি। সর্বপরি আমি জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে উত্তরদাতাদের কথা- বার্তা,চাল-চলন, আচার ব্যবহার এবং পারস্পরিক মনোভাব অনুধাবণের চেষ্টা করেছি।


২.৪। গবেষণা ক্ষেত্র ও এলাকা পরিচিতি
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১। ইউনিয়ন পরিষদ

৩.২ ইউনিয়ন পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো :

৩.৩। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১। সংগৃতীত তথ্য সারণী আকারে উপস্থাপন ও বিশ্লেষণঃ
সারণী নং-১
সারণী নং-২
সারণী নং-৩

৪.২। গবেষণার ফলাফল
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

৪.৩। সুপারিশমালাঃ
এই ক্ষেত্রে কতিপয় সুপারিশসমূহ উল্লেখ্য করা হলো।
  • ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশীল করতে হবে।
  • ইউনিয়ন পরিষদ সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে হবে।
  • আইন সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে হবে।
  • সকলে জন্য সমান আইন নিশ্চিত করতে হবে।
  • ইউনিয়ন পরিষদ সাংগঠনিক কাঠামো সুষ্ঠ হতে হবে।
  • সুষ্ঠ নির্বাচনে নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে।
 ৪.৪। উপসংহার
স্থানীয় সরকার মূলত ক্ষুদ্র ভৌগোলিক এলাকার জনস্বার্থে নিয়োজিত এক প্রশাসন ব্যবস্থা, যা কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং সমস্ত নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ স¤ভব নয়। তাই গ্রামীণ পর্যায়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারের একার পক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ করে এলাকা ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব নয়। তাই এলাকাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং এলাকাভিত্তিক চাহিদা নিরুপণে স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশষ করে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোন কর্মসূচীই বাস্তবায়িত হতে পারে না। এক্ষেত্রে স্থÍানীয় সরকার ব্যবস্থাক গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মূল্যবোধ অনুশীলনের মাধ্যমে জনগনের স্বত:স্ফ’র্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কর্মসূচীসমূহ বাস্তবায়নে অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

নমুনা প্রশ্নমালাঃ
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ


TERM-PAPER CODE : 0606201707

জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা

জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা

জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা


প্রথম অধ্যায়


ভূমিকাঃ
হাল সময়ে জঙ্গিবাদ একটি খুব পরিচিত শব্দ। বিশেষত মুসলিম বিশ্ব ও মুসলমানদের সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা ঘিরে পশ্চিমা বিশ্ব, খুব সুনির্দিষ্ট করে বললে, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং তার শাসকগোষ্ঠী ও মিডিয়ার অব্যাহত প্রচার, একে একটি বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। অবশ্য এর কারণও আছে। সে কথা পরে হবে। তার আগে আমাদের জানা দরকার, জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদেরই আরেকটি রূপ। সন্ত্রাসবাদ পৃথিবীতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, সাম্প্রদায়িক, স্বাধিকার, দমন-পীড়ণ, বর্ণবাদ, গোষ্ঠীস্বার্থ, ক্ষমতাবিস্তার, আতঙ্ক তৈরি, আগ্রাসন ইত্যাদি কারণে সন্ত্রাস একটি অনিবার্য বিষয় এবং এর প্রকৃতি ও রূপ বহুমাত্রিক। কখনো কখনো এটি দুর্বলের মরিয়া হাতিয়ার, কখনো নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সর্বশেষ অস্ত্র এবং অনেক সময় নিজেদের মতবাদ ও আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ একটি সাধারণ ঘটনা। অন্যদিকে পৃথিবীর যে কোনো শাসক ও শোষকগোষ্ঠীর কাছে এটি একটি ‘কমন’ গালি হিসেবেও খুব প্রিয়। কেননা, অনেক সময়ই কোনো দেশপ্রেমিক সংগ্রামীরা যখন বিদেশি শক্তি ও স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে এর প্রয়োগ করে, তখন শাসকগোষ্ঠীকে এই অভিধা দিয়ে তাদের দমন-পীড়ণ-হত্যা করতে দেখা গেছে। এর অন্যতম উদাহরণ, এই ভূখ-ে ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং এর জবাবে ব্রিটিশের চ-নীতি।  কখনো কখনো সন্ত্রাস জাতীয়বাদেরও সমার্থক। যেমনটি দেখা গেছে হিটলার ও মুসোলিনির ক্ষেত্রে। তবে এক্ষেত্রে একে আখ্যায়িত করা হয়েছে ‘উগ্র জাতীয়তাবাদ’ হিসেবে। তবে যেভাবেই দেখা হোক কিংবা সংজ্ঞায়িত করা হোক না কেন, সন্ত্রাসবাদও অনেকটা ইতিহাসেরই সমান বয়সী। তবে যখন তা সন্ত্রাসবাদ, তখন এর একটি যূথবদ্ধতা, উদ্দেশ্য এবং সাংগঠনিক রূপ রয়েছে। এর নেপথ্যে একটি ‘দর্শন’ থাকে এবং তা কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করে। এমনকি খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকেই রোমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইহুদিদের গোপন ও প্রকাশ্য তৎপরতা এবং গণ আত্মহত্যাও সন্ত্রাসবাদের একটি বিশেষ রূপ। এভাবে প্রাচীন কাল থেকেই সন্ত্রাসবাদ নানারূপে প্রকাশ পেয়েছে। এমনকি আধুনিক সন্ত্রাসবাদও ইহুদিদেরই সৃষ্ট। এবং এর সূচনা ইউরোপে, যা তাদেরকে নিজেদের অধিকার ও নিজস্ব ভূখ- প্রতিষ্ঠার জন্য করতে হয়েছিল।   


১.১ গবেষণাঃ
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।


সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।



১.২ গবেষণার বিষয় ও সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ের ব্যখ্যাঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।

আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয়টি লক্ষ করা যায় তা হলোঃ
১. জঙ্গিবাদ

জঙ্গিবাদ

জঙ্গি, জঙ্গিবাদ, জঙ্গিবাদী শব্দগুলি ইংরেজি militant, militancy শব্দগুলির অনুবাদ। ইদানিং এগুলি আমাদের মধ্যে অতি পরিচিত ও অতিব্যবহৃত। শব্দগুলি কিছু দিন আগেও এত প্রচলিত ছিল না। আর আভিধানিক বা ব্যবহারিকভাবে এগুলি নিন্দনীয় বা খারাপ অর্থেও ব্যবহৃত হতো না। শাব্দিক বা রূপক ভাবে যোদ্ধা, সৈনিক বা যুদ্ধে ব্যবহৃত বস্তু বুঝাতে এই শব্দগুলি ব্যবহৃত হতো। বৃটিশ ইন্ডিয়ার কমান্ডার ইন চিফকে ‘জঙ্গিলাট’ বলা হতো।.....

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


এ সকল অর্থ কোনোটিই বে-আইনী অপরাধ বুঝায় না। কিন্তু আমরা বর্তমানে ‘জঙ্গি’ বলতে বুঝি......................................................

সন্ত্রাস-এর পরিচয়ে এনসাইকোপিডীয়া ব্রিটানিকায় বলা হয়েছে:
terrorism: the systematic use of violence ..................................................

মার্কিন সরকারের ফেডারেল বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফ. বি. আই) terrorism বা সন্ত্রাসের সংজ্ঞায় বলেছে:
the unlawful use of force and .....................................................

এই সংজ্ঞায় মূল কর্মের দিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। শক্তি, ক্ষমতা বা সহিংসতার ব্যবহার যদি বে-আইনী হয় তবে তা ‘সন্ত্রাস’ বলে গণ্য হবে। আর যদি তা ‘আইন-সম্মত’ হয় তবে তা ‘সন্ত্রাস’ বলে গণ্য হবে না।.......................................................................................................

যুদ্ধের ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ প্রতিপক্ষের সৈন্য ও নাগরিকদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারে সচেষ্ট থাকে। তবে সন্ত্রাসের সাথে যুদ্ধের মৌলিক পার্থক্য হলো, সাধারণ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধ উভয় ক্ষেত্রেই যোদ্ধারা মুলত.....................................................................................................................

Terrorism proper is thus the systematic use of violence to generate fear, and thereby to achieve political goals,.......................................................................................................


পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

১.৩ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ
আমার গবেষণার বিষয় “জঙ্গিবাদের উত্থান ও ভয়াবহতা, বর্তমান অবস্থা” আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামের প্রেক্ষিতে এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নি¤েœাক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল ঃ

১.    বর্তমান গণতান্ত্রিক সমাজ জঙ্গিবাদকে কিভাবে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    গণতান্ত্রিক সমাজ কিভাবে জঙ্গিবাদের শিকার হচ্ছে যে সম্পর্কে জানা
৩.    জঙ্গিবাদের ধরণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া
৪.    জঙ্গিবাদ কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা
৫.    জঙ্গিবাদের কারণে কারণে সমাজ জিবনে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হয়
৬.    জঙ্গিবাদকে কিভাবে সমাজ থেকে নির্সৃন করা যায় সে সম্পর্কে জানা


১.৪ গবেষণার ক্ষেত্র ও এলাকা পরিচিতিঃ 
১.৫ গবেষণা ও পুস্তক পর্যালোচনা

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

দ্বিতীয় অধ্যায়

২.১ গবেষণার গুরুত্বঃ
সামাজিক গবেষণা সমাজ সম্পর্কে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সামাজিক গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১.    অজানাকে জানার জন্য
২.    রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩.    কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪.    জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫.    বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য


২.২ গবেষণার অনুসৃত পদ্ধতিঃ
সামাজবিজ্ঞানে গবেষণার অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পুর্ণাঙ্গ রূপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : যেমন-পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান প্রভৃতি ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য যেরূপ সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসৃত হয় তেমনি সমাজবিজ্ঞান গবেষণায়ও পদ্ধতি অনুসরন করা অনিবার্য। সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায় সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।  সুতরাং বলা যায় কোন কাজ পূর্নাঙ্গতা ও ব্যাপকতার সাথে সম্পন্ন করতে যে পন্থার সাহায্য নিতে হয় তা হল পদ্ধতি।

পদ্ধতি নির্বাচনঃ
আমার গবেষণার বিষয়বস্তু হল, “জঙ্গিবাদের ভয়াবহতা, বতর্মান অবস্থা”। একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি জরিপ পদ্ধতি অনুসরন করেছি। কেননা যে কোন গবেষণা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


জরিপ পদ্ধতিঃ
আধুনিক শিল্প ও শহর ভিত্তিক সমাজ গবেষণার এক জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত তথ্যানুসন্ধান পদ্ধতি হচ্ছে জরিপ পদ্ধতি। একটি বৃহৎ সমগ্রককে সরাসরি প্রত্যক্ষ না করে এর বিভিন্ন দিক বিশ্লেষনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে জরিপ গবেষণা পদ্ধতি সমাজ গবেষকদের নিকট সহজতম এবং নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হিসাবে সমাদৃত। সাধারণভাবে বলা যায়, জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে কোন বিষয় সম্পর্কে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা।
 সুতরাং বলা যায়, জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন এলাকার জনগনের আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের কৌশল।

জরিপ পদ্ধতির সুবিধাঃ
গবেষণা পদ্ধতির মধ্যে জরিপ পদ্ধতির গুরুত্ব অনেক বেশী। এর মধ্যেমে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। 
১.    সমস্যা নিরুপনে সহায়ক পদ্ধতি।
২.    কম খরচে জরিপ গবেষণা সম্পন্ন হয়।
৩.    খুব সহজে সাধারনীকরন সম্ভব।
৪.    বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগের সুযোগ।
৫.    আর্থ-সামাজিক বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা দান করে।
৬.    পরিকল্পনা প্রনয়ণে সহায়ক।
৭.    দূর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক।
৮.    অর্থনৈতিক বিষয়ে ধারনা দেয়।

জরিপ পদ্ধতির অসুবিধা সমূহঃ
আলোর বিপরীতে অন্ধকার এটি চিরন্তন সত্য। তাই জরিপ পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয়, বহুল ব্যবহৃত এবং সুবিধামন্ডিত হওয়া সত্বেও এ পদ্ধতির কিছু অসুবিধা রয়েছে। নিচে এগুলো উল্লেখ করা হলঃ
১.    বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করা সম্ভব নয়।
২.    উত্তর দাতার আবেগ অনুপস্থিত।
৩.    বস্তুনিষ্ট জরিপ সম্ভব নয়।
৪.    শহর ও গ্রামের জটিলতা।

২.৩ তথ্য সংগ্রহের কৌশলঃ
গবেষকের মনোগ্রাফের তথ্য সংগ্রহের কৌশল এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সামাজিক গবেষণার তথ্য সংগ্রহের জন্য যে কৌশলগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত কৌশল হলো তিনটি । যথা ঃ
১.    প্রশ্নমালা কৌশল
২.    সাক্ষাৎকার কৌশল
৩.    নমুনায়ন

১.    প্রশ্নমালা কৌশলঃ
যে কোন সামাজিক গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য বিজ্ঞান সম্মত ও বহুল ব্যবহৃত কৌশল হচ্ছে প্রশ্নমালা। এটা গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া। প্রশ্নমালা একটি লিখিত দলিল। এখানে কতকগৃলো প্রশ্ন থাকে এবং প্রশ্নমালা ব্যক্তির নিকট হতে তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২.    সাক্ষাতকার কৌশলঃ
সাধারন অর্থে দুই বা ততোধিক লোকের মধ্যে যে কোন আলোচনা বা কথোপকথনাকে সাক্ষাৎকার বলা হয়। এই সাক্ষাৎকার আবার দুই প্রকার যথা ঃ
১.    অবকাঠামোগত সাক্ষাৎকার
২.    কাঠামোগত সাক্ষাৎকার

৩.    নমুনায়নঃ

যে পদ্ধতি বিস্তৃত অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে থেকে গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয় বা উপাদান নির্বাচন করা হয় তাকে সংক্ষেপে নমুনায়ন বলে। আমি আমার গবেষণার জন্য দ্বৈবচয়িত নমুনায়নের পদ্ধতি বেছে নিয়েছি।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
২.৪ গবেষণায় ব্যবহৃত মূল পদ্ধতিঃ

২.৫ গবেষণা এলাকাঃ

২.৬ তথ্যের উৎসঃ

২.৭ সমগ্রক ও বিশ্লেষনের এককঃ

২.৮ সময়সূচীঃ

২.৯ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ

২.১০ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদঃ
সন্ত্রাসবাদ যখন জঙ্গিবাদ হিসেবে নাম গ্রহণ করে, তখন তা যেন মুসলিমদের প্রতিই অঙ্গুলি নির্দেশ করে। বিশেষত সাম্প্রতিক মুসলিমপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের পরিচালনা, মদদ ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহায়তা এবং মুসলিম দেশসমূহে তাদের বিস্তার এবং বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী ও আত্মঘাতী কার্যকলাপে জঙ্গি ও মুসলমান যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে। এবং গণমাধ্যমে, বিশেষত পশ্চিমা গণমাধ্যমে এর প্রচারণা একে এভাবেই হাজির করে। আবার বিগত বছরগুলোতে আল কায়েদার মতো সংগঠনের তৎপরতা ও কার্যকলাপ একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে তালেবানি আধিপত্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম, আমেরিকা ও ব্রিটেনে মুসলিম সন্ত্রাসীদের তৎপরতা ও দায় স্বীকার; বিভিন্ন দেশে আত্মঘাতী হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন জঙ্গিবাদকে একটি রাষ্ট্রীয় নিরপত্তাহীনতা এবং বৈশ্বিক শান্তিবিনষ্টকারী প্রধান শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর এর ভয়াবহ রূপটি হচ্ছে, এটি নানাভাবে ধর্মান্ধতা বিস্তার ও প্রগতিবিরোধী শক্তি হিসেবে নিজেকে হাজির করছে, যা গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে হুমকিগ্রস্ত করে তুলেছে। সবচে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে, কখনো কখনো কোনো রাষ্ট্রনায়ক বা দল একে সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে এখন নিজেরাই এর শিকারে পরিণত হচ্ছে। এর সবচে বড় উদাহরণ পাকিস্তান। পাকিস্তান বিভিন্নভাবে জঙ্গিবাদকে মদদ দিতে গিয়ে নিজেকে ক্রমাগত ভঙ্গুর করে ফেলছে। এবং এটি এখন ভারত ও বাংলাদেশকে হুমকিগ্রস্ত করে তুলছে। অভিযোগ রয়েছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই উপমহাদেশে মৌলবাদ বিস্তারের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষকের ভূমিকা পালন করেছে, যার ফলে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতে অনেকগুলি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, যার দায়ভার বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন স্বীকারও করে নিয়েছে।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
৩.২ ইসলাম ও সাম্প্রতিক জঙ্গিবাদঃ
সাম্প্রতিককালে ইসলামি জঙ্গিবাদ নিয়ে সবচে বেশি মাথাব্যথা যার, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই একসময়ে ছিল আধুনিক জঙ্গিবাদের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক। কিন্তু সবচেয়ে ট্র্যাজেডি হলো, আজ এটি তারই গলার ফাঁস হিসেবে দেখা দিয়েছে। এবং এক্ষেত্রে আমেরিকাই সবচেয়ে বেশি হুমকিগ্রস্ত। এটা প্রমাণিত যে, শীতলযুদ্ধের শেষ প্রান্তে, যখন আমেরিকা- সোভিয়েত ইউনিয়ন দুই পরাশক্তি পরস্পর শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল, তখন আচমকাই সুযোগটা এসে যায় আমেরিকার হাতে। একটি ভুল চিন্তার ফসল হিসেবে সোভিয়েত সরকার........................................................................................

৩.৩ সাম্প্রতিক জঙ্গিবাদ ও বাংলাদেশঃ
    জেএমবির নেতা বাংলাভাইয়ের নৃশংস অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যদিও বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের দৌরাত্ম্য প্রথম তীব্রভাবে টের পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু এ ছিল এর একটা সংহত রূপ। ভেতরে ভেতরে জঙ্গিবাদী চেতনা ও প্রচারণা বহুকাল ধরেই বাংলাদেশের ডালপালা ছড়িয়েছে। এর সূচনা সম্ভবত জিয়াউর রহমানের শাসনামলে রাজাকারদের পুনর্বাসন এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করার মাধ্যমে। এটি প্রথমে ছিল মৌলবাদী মোড়কে। পরবর্তীকালে এতে নতুন নতুন মাত্রা যোগ করেন..............................................................................................................................

৩.৪ বর্তমান সরকার ও জঙ্গিবাদ
বাংলাদেশের বর্তমান আওয়ামী নেতৃত্বাধীন জোট সরকার যেমন জঙ্গিবাদের ঘোর বিরোধী, অন্যদিকে জঙ্গিবাদীদের চোখে এই সরকার সবচেয়ে ঘৃণার্হ। কেননা, এ সরকারের নেতৃত্বে আছেন বহুসংখ্যক নারী, যাকে তারা ইসলামসম্মত মনে করে না ................................................................


৩.৫ জঙ্গিবাদের শেকড় অনেক গভীরে 
আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতা বলি কিংবা বিভিন্ন মুসলিম দেশ বা সংগঠনের মদদই বলি, জঙ্গিবাদ আজকের বিশ্বের এক নির্মম বাস্তবতা। তা যেমন পশ্চিমা বিশ্বের জন্য, তেমনি মুসলিম দেশগুলোর জন্যও। কারণ, নানাভাবে এর শিকার হচ্ছে মুসলিমরাই। অথচ ইসলাম কেবল শান্তির ধর্ম তা-ই, ইসলাম ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকে নিরুৎসাহিত করে এবং সব বিষয়ে মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দেয়।............................................................................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১ সংগৃহীত তথ্য সারনী আকারে উপস্থাপন ও বিশ্লেষণঃ
সারনী নং-০১
সারনী নং-০২
সারনী নং-০৩

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

পঞ্চম অধ্যায়

৫.১ গবেষণার ফলাফলঃ
৫.২ সুপারিশমালাঃ
৫.৩ উপসংহারঃ
৫.৪ নমুনা প্রশ্নমালাঃ
৫.৫ সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ


TERM-PAPER CODE : 2505201706


ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন

ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন

ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন


প্রথম অধ্যায়


ভূমিকাঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ছাত্র রাজনীতির সূচনা, বিস্তৃতি এবং অবদান ম্রিয়মান কোন ঘটনা নয়। এই গৌরবদীপ্ত ভূখন্ডে ছাত্র রাজনীতির উন্মেষ ঘটেছিল প্রগতিশীল দর্শন তথা জীননের মননশীল স্তরায়নে অনুঘটক হিসেবে কাজ করার জন্য। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তান সৃষ্টি, ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ১৯৬৯-র গণ অভ্যুত্থান, ১১ দফার আন্দোলন, স্বায়ত্বশাসনের স্বপক্ষে সংগ্রাম সর্বোপরি ১৯৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্র সমাজ শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়নের বিরূদ্ধে নিজেদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়োজিত করে। তাই ছাত্ররাজনীতি একদিকে যেমন মানবিকতা ও সৃষ্টিশীলতায় উৎসারিত; তেমনি অভিন্ন সেই বোধে অনিবার্যভাবে অসুন্দর আর নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে শক্তিও বটে। একটি গৌরবোজ্জল ঐতিহ্যর অশীদারিত্ব নিয়ে যে ছাত্র রাজনীতির উত্থান-তার স্বরূপ, পথ পরিক্রমায় তার সৌন্দর্যহানি, কিছু মৌলিক জিজ্ঞাসা এবং নির্দেশনায় আবর্তিত হবে এই নাতিদীর্ঘ রচনা।

গত তিন দশকে ছাত্র রাজনীতির চারিত্র্য ও গুণগমমান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ৭৫ র পটপরিবর্তন, সামরিক শাসন সমূহ ছাত্র রাজনীতিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। উক্ত সময়ে ছাত্র রাজনীতি তার চিরায়ত গণমুখী ঐতিহ্য বিসর্জন নিয়ে ক্ষমতামুখী দৃষ্টিভঙ্গী দৃঢ়তর ভাবে ধারণ করতে শেখে। ছাত্র রাজনীতির এখন তাই আধিপত্য আর সম্পর্ক যোজন প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃত।


১.১ গবেষণাঃ
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।


১.২ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ

আমার গবেষণার বিষয় “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” । আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের প্রেক্ষিতে এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নি¤েœাক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হল ঃ
১.    বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা কিভাবে ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণকে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    ছাত্ররাজনীতির ধরণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া।
৩.    ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য     জানা।


১.৩ গবেষণার গুরুত্বঃ
    সামাজিক গবেষণা সমাজ সম্পর্কে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সামাজিক গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১.    অজানাকে জানার জন্য
২.    রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩.    কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪.    জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫.    বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য


১.৪ গবেষণার বিষয় ও সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ের ব্যখ্যাঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।
আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
১. রাজনীতি
২. ছাত্র রাজনীতি

রাজনীতি
রাজনীতি (ইংরেজি: হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কিছু ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কোন গোষ্ঠী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যদিও রাজনীতি বলতে সাধারণত নাগরিক সরকারের রাজনীতিকেই বোঝানো হয়, ......................................................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

ছাত্র রাজনীতি
বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির মূলতঃ আবর্তিত হয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজকে ঘিরে। এবং সেখানে ক্ষমতাসীন দল ও প্রধান বিরোধীদলের একচ্ছত্র প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। ছাত্র রাজনীতিতে যারা নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত তাদের শিক্ষার মান অনুল্লেখ্য, নিজ সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে তারা অনভিজ্ঞ, সর্বোপরি তাদের অনেকেই সন্ত্রাসী কাজ-কর্মের ..........................................
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণঃ
   
মূলতঃ ১৯৯০ এর অব্যবহিত পরে ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এ কথা অনস্বীকার্য যে ছাত্র-ছাত্রীরাই এদেশে জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে সাহসী ও সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেছে। তারা তাদের মেধা, মনন এবং চিন্তাভাবনায় সুন্দরকে স্বাগত জানিয়েছে। অসুন্দরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ছাত্র-ছাত্রীরা সমাজ সচেতনতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদীরূপ তাদেরকে জাতির আশা-আকাংখার কর্ণধার করেছে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্র-ছাত্রীদে......................................................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির সামগ্রিক প্রেক্ষাপট
   
জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতির পতি প্রকৃতির ভাঙ্গাগড়ার মধ্যে প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে অর্থবহ অবদান রাখার নিমিত্তে ছাত্র-ছাত্রী সমাজ সমকালীন রাজনীতিকে চিন্তার খোরাক কিংবা আদর্শের পথ বাতলে দেবে এবং তাতে জাতীয় রাজনীতি সমৃদ্ধ হবে। এটা স্মরণ রাখতে হবে যে, সার্বক্ষণিক রাজনীতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নয়। প্রাথমিক কর্তব্যে জ্ঞানার্জন বা ভাল ডিগ্রী নিয়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া। লেজুড়বৃত্তির ছাত্র রাজনীতি নয় ................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

শিক্ষা ব্যবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের প্রভাব
   
অসংখ্য সমস্যার সম্মিলিত নাম বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে উল্লেখ করা হলেও কতটুকুইবা উন্নয়নশীল?

যে দেশ ঘুস দুর্নীতিতে প্রতি বছর বিশ্বে অর্জন করে সর্বোচ্চ স্থান। যে দেশে ভাসমান মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার বিশ শতাংশ, এবং ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এই ভাসমান মানুষের সংখ্যা। যে দেশে পানি সমস্যার কারনে প্রতি বছর জান মালের হচ্ছে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি, এবং খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এর কোন স্থায়ী সমাধান। দৈনন্দিন দ্রব্য সামগ্রীর দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে,যার নেই কোন সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা। সে দেশে নীতি নির্ধারকদের মুখের বুলি শুধু চপাবাজি আর মিথ্যে আস্ফালন ছাড়া আর কিছুই নয়।.........................................................................................


পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫



১.৫  গবেষণার এলাকা পরিচিতি

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


দ্বিতীয় অধ্যায়


২.১ পুস্তক পর্যালোচনা
    বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ভিত্তিক গবেষণা কাজের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা। সদা পরিবর্তনশীল ও বির্বতনশীল সামজিক উপাদানকে উপজিব্য করে পরিচালিত সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে সাহিত্য সমীক্ষাকে একটি দিক দর্শন ও নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

সাধারণভাবে বলা যায়, সাহিত্য পর্যালোচনা হচ্ছে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার যৌক্তিক অধ্যয়ন।

যে কোন গবেষণা কার্য পরিচালনার পূর্বে এই বিষয়ে কোন ধরনের গবেষণা কিংবা কোন ধরনের গবেষণা কাজ বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক সে বিষয়ে অধ্যয়ন করাই হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা।   
    পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সাহিত্য বলতে যে সমস্ত প্রাসঙ্গিক উপকরনকে সমাজ গবেষক অর্ন্তভূক্তি করে থাকেন তা নি¤œরুপ ঃ
১.    প্রকাশিত সাধারণ পাঠ্যপুস্তক।
২.    জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক জার্নাল, সাময়িক পত্র-পত্রিকা
৩.    গবেষণা প্রতিবেদন
৪.    বিশেষজ্ঞগনের অভিমত ইত্যাদি


২.২ গবেষণার অনুসৃত পদ্ধতিঃ
সামাজবিজ্ঞানে গবেষণার অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পুর্ণাঙ্গ রূপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : যেমন-পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান প্রভৃতি ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য যেরূপ সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসৃত হয় তেমনি সমাজবিজ্ঞান গবেষণায়ও পদ্ধতি অনুসরন করা অনিবার্য।
সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায় সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।

সুতরাং বলা যায় কোন কাজ পূর্নাঙ্গতা ও ব্যাপকতার সাথে সম্পন্ন করতে যে পন্থার সাহায্য নিতে হয় তা হল পদ্ধতি।
পদ্ধতি নির্বাচন ঃ
    আমার গবেষণার বিষয়বস্তু হল, “ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়ন” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি জরিপ পদ্ধতি অনুসরন করেছি। কেননা যে কোন গবেষণা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


২.৩ জরিপ পদ্ধতিঃ
  
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


২.৫ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ
আমার গবেষণার বিষয়টির সাথে জরিপ পদ্ধতি সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। কেননা কোন সমাজের নির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তব তথ্য জানার জন্য অন্য পদ্ধতির তুলনায় জরিপ পদ্ধতি অধিক উপযোগী কারণ জরিপ পদ্ধতিতে গবেষক ঐ সমাজের একজন সদস্য হিসাবে সরোজমিনে পর্যবেক্ষন কৌশলের মাধ্যমে সঠিক ও বাস্তবধর্মী তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। যা এই সমাজের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম হয়। এতে আমার সময় ও পরিশ্রমের অপচয় কম হয়েছে এবং আমি আমার গবেষণাটি স্বল্প ব্যায়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।


২.৬ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ
 গবেষণা একটা জটিল, দক্ষতা ও নৈপূণ্য ভিত্তিক নিরীক্ষাধর্মী কাজ। বর্তমান গবেষণাকর্মটি মৌলিক বা প্রতিশ্রুতিশীল হয়েছে। এমনটি দাবী করা যুক্তিসঙ্গত হবে না। তাছাড়া মূল্যবোধ নিরপেক্ষ থেকে এ গবেষণা কর্মকে সঠিকভাবে সম্পাদন করার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকলেও বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা গবেসনা কর্মপরিচালনার প্রতিবদ্ধকতার সৃষ্টি করেছে। তাই বিরাজমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা গবেষণার মানকে প্রত্যাশা অনুযায়ী হতে দেয়নি একথা বললে নিঃসন্দেহে অত্যুক্তি হবে না। বর্তমান গবেষণা কর্মটি পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হয়েছে তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

*  গবেষণার কাজ বেশ, সময় সাপেক্ষে ব্যাপার হলেও যেহেতু এটা একটি কোর্স তাই অন্যান্য কোর্সের সাথে এর কাজ শেষ করতে হয় সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে। তুই একনিষ্টভাবে গবেষণা  কর্মটি শেষ করা বেশীরভাগ সময়ই দুরুহ ব্যাপার হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে অনিচ্ছা সত্ত্বেও গবেষণায় কিছু ভূলত্রুটি হয়ে যেতে পারে।
*  কর্মক্ষেত্রে থাকা অবস্থায় উত্তরপ্রদানে উত্তরদাতার অনীহা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অন্যতম     একটি প্রতিবদ্ধকতা ছিল।
* তথ্য সংগ্রহের জন্য সাক্ষাৎকার গ্রহনের সময় যে নিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত পরিবেশ দরকার ছিল     তা অনেক ক্ষেত্রে বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
* একটি আদর্শ গবেষণায় সমগ্রকের প্রতিনিধিত্বশীল নমুনা নির্বাচন অত্যাবশ্যক। কিন্তু বর্তমান     গবেষণায় গবেষকের সময় ও সামর্থ্যের দিক বিবেচনা করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নমুনায়ন করা হয়েছে।
* সংবেদনশীল প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাবার প্রবনতা দেখা গেছে।

পরিশেষে বলা যায় যে, গবেষণা করতে গেলে কিছুটা দুর্বলতা ও ত্রুটি থাকবেই। একারণে সে বিষয়ে পুনরায় গবেষণা করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আর তাই একটি গবেষণা আর একটি গবেষণার দিক নির্দেশনা প্রদান করে। উপযুক্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রত্যক্ষবাবে তথ্য সংগ্রহ পর্যাবেক্ষন এবং অন্যান্য পবেষনা কৌশল অবলম্বন করতে গবেষণা কর্ম পরিচালনা করা হয়েছে বিধায় গবেষণা কর্মের অন্তরায় সমূহ গবেষণার মূল্য উদ্দেশ্যকে প্রভাবিত করবে না বলে আমার বিশ্বাস।

তৃতীয় অধ্যায়


৩.১ সংগৃহীত তথ্য সারনী আকারে উপস্থাপনঃ
সারণী-১
সারণী-২
সারণী-৩

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১ গবেষণার ফলাফলঃ
    নেতিবাচক ছাত্র রাজনীতি, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস এবং যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় দেশের সচেতন মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। ছাত্রদের ভবিষ্যত্ নিয়ে সবাই শংকিত। আমরা জানি ছাত্র যার অভিধা, অধ্যয়ন তার তপস্যা। ভবিষ্যত্ জীবন সুন্দরভাবে গড়তে অধ্যয়নের মাধ্যমে সাফল্য অর্জনই ছাত্রসমাজের প্রধান কাজ। কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হয়ে পড়েছে ছাত্রসমাজ। ছাত্র রাজনীতির যে ঐতিহ্য ছিল, তা আজ বিলীন হতে বসেছে। শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়মানুবর্তিতা, শৃংখলা ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ যেখানে কাঙ্ক্ষিত, সেখানে এর বিপরীত চিত্রই পরিলক্ষিত হচ্ছে বেশি।

ছাত্র রাজনীতি বাংলাদেশে এখন ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। অথচ এ দেশেই রয়েছে ছাত্র রাজনীতির গৌরবময় অতীত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, '৬৯-এর গণআন্দোলন, '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং বিভিন্ন জাতীয় আন্দোলনে ছাত্রসমাজ গৌরবময় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সে অবস্থা এখন আর নেই। স্বাধীন দেশে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছে। এখন ছাত্ররা দেশের স্বার্থের কথা ভাবে না। ভাবে নিজেদের স্বার্থের কথা। রাজনীতিতে তাদের যে আদর্শ ছিল তা আজ ভূলুণ্ঠিত। স্বার্থ যেখানে মুখ্য, সংঘাত সেখানে অনিবার্য। ছাত্র সংগঠনগুলো শুধু যে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে থাকে তা নয়, সংগঠনের অভ্যন্তরেও সংঘাত দানা বেঁধে ওঠে-স্বার্থে সামান্য আঘাত লাগলেই। ছাত্র সংগঠনগুলো অতিমাত্রায় দলীয় রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়ায় তাদের মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে। সংগঠনগুলো সামান্য কারণেই প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হচ্ছে। অনেক মেধাবী ছাত্রের জীবন এভাবে অকালে ঝরে পড়ছে। সংঘাতের কারণে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিঘ্নিত হচ্ছে লেখাপড়ার স্বাভাবিক পরিবেশ।

পঞ্চম অধ্যায়

৫.১ সুপারিশমালাঃ



৫.২ উপসংহারঃ
ছাত্রজীবন হচ্ছে জ্ঞান অর্জনের সময়। জ্ঞান বিজ্ঞান, ইতিহাস দর্শন নিয়ে ভাবতে হবে, অধ্যয়ন করতে হবে সাহিত্য ও সংস্কৃতি। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতা খুলে দেখতে পাই ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের চিত্র। অশুভ রাজনীতির হাতছানিতে নিজেদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে তারা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত্ নষ্ট করছে। দলীয় রাজনীতির অশুভ স্রোতে নিজেদের ভাসিয়ে দিলে বিদ্যার্জন ব্যাহত হতে বাধ্য।

এ অবস্থা আর কতদিন চলবে? যে ছাত্রসমাজের ওপর দেশ ও জাতির অনেক আশা আকাঙ্ক্ষা, যারা একদিন দেশের হাল ধরবে, তাদের মধ্যে এ হানাহানি ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ না হলে দেশ কিভাবে উন্নত হবে? অনেক বাবা-মা কষ্ট করে তাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান। অনেক আশা ও স্বপ্ন থাকে তাদের মনেÍএকদিন সন্তান মানুষ হয়ে তাদের ভাগ্যের উন্নতি ঘটাবে। কিন্তু সন্ত্রাসের কারণে যখন তাদের সন্তান লাশ হয়ে বাড়ি আসে, তখন সব স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।

সাধারণ মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্যই রাজনীতি এবং তা নিশ্চিত করতে হলে ছাত্রসমাজকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। দেশের শিক্ষা এবং শিক্ষাঙ্গনকে যে সব সমস্যা গ্রাস করেছে, তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ছাত্রদের রাজনীতি হবে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনের উন্নয়নে। ছাত্র সংগঠনগুলো চলবে তাদের নিজস্ব ধারায়। প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আদর্শগত কিছু অমিল থাকলেও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তুলতে হবে, প্রতিযোগিতা আর প্রতিহিংসা এক জিনিস নয়। তাহলেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ হবে।

ছাত্র সংগঠনকে রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার ও শক্তির উত্স হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এজন্য আগে সংগঠন চালাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে হবে। ছাত্রছাত্রীরা চাঁদা দিয়ে তাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠনকে রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে রক্ষা করতে পারে। অথবা সুষ্ঠু ছাত্র রাজনীতির চর্চায় সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য প্রয়োজন। ছাত্র সংগঠনগুলোতে অছাত্রদের অনুপ্রবেশ রোধেও সচেতন হতে হবে। মোটকথা, শিক্ষার মূল লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শিক্ষাঙ্গনের সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

নমুনা প্রশ্নমালঃ
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ
TERM-PAPER CODE : 2505201705



বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা

প্রথম অধ্যায়

১.১ ভূমিকাঃ
একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তবর্তীকালীন সরকার। সাধারণত যেকোন প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়। এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলী নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে। এ অন্তর্র্বতীকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করার জন্য নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকে। সংসদীয় শাসন কাঠামোয় মন্ত্রিসভা বিলোপের পর একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার এ অনুশীলন উন্নত এবং উন্নয়নশীল উভয় দেশেই লক্ষ্য করা যায়।

১.২ গবেষণাঃ
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

সাধারণভাবে বলা যায়, গবেষণা হচ্ছে পুনঃপুন অনুসন্ধান। আবার অন্যভাবে বলা যায়, অপেক্ষাকৃত উন্নততর পর্যবেক্ষন, সুশৃঙ্খল অনুসন্ধান এবং অতিরিক্ত জ্ঞান সংযোজনকে গবেষণা বলে।

সুতরাং বলা যায়, জ্ঞান অর্জনের সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত পন্থাই গবেষণা।

১.৩ গবেষণায় ব্যবহৃত প্রতয়সমূহের ব্যখ্যাঃ

যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত।

আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা”। এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে দুটি প্রত্যয় লক্ষ করা যায়। যথাঃ
ক) গণতন্ত্র
খ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
ক) গণতন্ত্র :
গণতন্ত্র হলো কোন জাতিরাষ্ট্রের (অথবা কোন সংগঠনের) এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সমান ভোট বা অধিকার আছে। গণতন্ত্রে আইন প্রস্তাবনা, প্রণয়ন ও তৈরীর ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের অংশগ্রহনের সমান সু্যােগ রয়েছে, যা সরাসরি বা নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্.......................................

খ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের অধুনালুপ্ত একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের ................................


১.৪ পুস্তক পর্যালোচনা
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ভিত্তিক গবেষণা কাজের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা। সদা পরিবর্তনশীল ও বির্বতনশীল সামজিক উপাদানকে উপজিব্য করে পরিচালিত সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে সাহিত্য সমীক্ষাকে একটি দিক দর্শন ও নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাধারণভাবে বলা যায়, সাহিত্য পর্যালোচনা হচ্ছে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার যৌক্তিক অধ্যয়ন।
যে কোন গবেষণা কার্য পরিচালনার পূর্বে এই বিষয়ে কোন ধরনের গবেষণা কিংবা কোন ধরনের গবেষণা কাজ বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক সে বিষয়ে অধ্যয়ন করাই হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা।
   
পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সাহিত্য বলতে যে সমস্ত প্রাসঙ্গিক উপকরনকে সমাজ গবেষক অর্ন্তভূক্তি করে থাকেন তা নি¤œরুপ ঃ
১.    প্রকাশিত সাধারণ পাঠ্যপুস্তক।
২.    জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক জার্নাল, সাময়িক পত্র-পত্রিকা
৩.    গবেষণা প্রতিবেদন
৪.    বিশেষজ্ঞগনের অভিমত ইত্যাদি

দ্বিতীয় অধ্যায়


২.১ গবেষণার উদ্দেশ্যঃআমার গবেষণার বিষয় “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা” । আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হলঃ
১.    বর্তমান গণতান্ত্রিক সমাজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে কিভাবে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে জানা
৩.    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা

২.২ গবেষণার গুরুত্বঃ
গবেষণা আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১.    অজানাকে জানার জন্য
২.    রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩.    কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪.    জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫.    বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য


২.৩ তথ্য সংগ্রহের কৌশলঃ
গবেষকের মনোগ্রাফের তথ্য সংগ্রহের কৌশল এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। গবেষণার তথ্য সংগ্রহের জন্য যে কৌশলগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত কৌশল হলো তিনটি । যথা ঃ
১.    প্রশ্নমালা কৌশল
২.    সাক্ষাৎকার কৌশল
৩.    নমুনায়ন

১.    প্রশ্নমালা কৌশলঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য বিজ্ঞান সম্মত ও বহুল ব্যবহৃত কৌশল হচ্ছে প্রশ্নমালা। এটা গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া। প্রশ্নমালা একটি লিখিত দলিল। এখানে কতকগৃলো প্রশ্ন থাকে এবং প্রশ্নমালা ব্যক্তির নিকট হতে তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২.    সাক্ষাতকার কৌশলঃ
সাধারন অর্থে দুই বা ততোধিক লোকের মধ্যে যে কোন আলোচনা বা কথোপকথনাকে সাক্ষাৎকার বলা হয়। এই সাক্ষাৎকার আবার দুই প্রকার যথাঃ
১.    অবকাঠামোগত সাক্ষাৎকার
২.    কাঠামোগত সাক্ষাৎকার

৩.    নমুনায়নঃ
যে পদ্ধতি বিস্তৃত অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে থেকে গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয় বা উপাদান নির্বাচন করা হয় তাকে সংক্ষেপে নমুনায়ন বলে।

২.৪ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ
আমার গবেষণার বিষয়টির সাথে জরিপ পদ্ধতি সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। কেননা কোন সমাজের নির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তব তথ্য জানার জন্য অন্য পদ্ধতির তুলনায় জরিপ পদ্ধতি অধিক উপযোগী কারণ জরিপ পদ্ধতিতে গবেষক ঐ সমাজের একজন সদস্য হিসাবে সরোজমিনে পর্যবেক্ষন কৌশলের মাধ্যমে সঠিক ও বাস্তবধর্মী তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। যা এই সমাজের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম হয়। এতে আমার সময় ও পরিশ্রমের অপচয় কম হয়েছে এবং আমি আমার গবেষণাটি স্বল্প ব্যায়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।

২.৫ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

তৃতীয় অধ্যায়


৩.১ বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ইতিহাসঃ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের অধুনালুপ্ত একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে। সাধারণতঃ নির্বাচন পরিচালনা করাই এর প্রধান কাজ হয়ে থাকে। গত ১০ মে বাংলাদেশে সুপ্রীম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় দেয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনী অনুসারে দুই নির্বাচনের মধ্যকার সময়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ৩ মাসের জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করে। এসময় সুপ্রিম কোর্ট হতে সর্বশেষ অবসর গ্রহণকারী প্রধান বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে এক দল নিরপেক্ষ উপদেষ্টাম-লী সাহায্য করে থাকে। তবে এসময় সামরিক বাহিনীর কর্তৃত্ব রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে।

একটি মত অনুসারে এ অভিনব পদ্ধতি প্রথম প্রস্তাব করেন আশির দশকে জামায়াতের তৎকালীন আমির অধ্যাপক গোলাম আযম। তিনি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াত আয়োজিত এক জনসভায় এ ফর্মুলা পেশ করেন।[২] আবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর পক্ষ থেকে দাবী করা হয় এই পদ্ধতির উদ্যোক্তা তারাই। বিএনপির নেতা নাজমুল হুদা।ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাও নিজেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রস্তাবক হিসেবে দাবি করেন। তিনি বাংলাদেশের বেসরকারী টিভি চ্যানেল আই-এর তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য বিএনপি তাকে পঞ্চম জাতীয় সংসদের মন্ত্রীসভা থেকে অপসারণ করে। সাম্প্রতিককালে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সিএম শফি সামী বলেন, বাংলাদেশের সমস্যাগ্রস্থ আমলাতন্ত্রের কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন হয়েছে।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
প্রেক্ষাপট :
বিল উত্থাপন:
আন্দোলন
জনতার মঞ্চ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন

৩.২ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা :

১৯৯০ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার  বাংলাদেশে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি রাজনৈতিক দলগুলির পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সমঝোতার অভাব থেকেই উদ্ভূত। একটি বিদায়ী সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আইনানুগ রীতিসিদ্ধ পদ্ধতিগুলোর কতখানি সুষ্ঠু প্রয়োগ করবে এবং সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কতটা পক্ষপাতহীনতার পরিচয় দেবে, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ সন্দেহ থেকেই মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিটি উঠে আসে। স্বাধীনতাপূর্ব সময়ে ১৯৫৪ এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচন স্বচ্ছ নির্বাচন হিসেবে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছিল এবং গণআন্দোলনে প্রভাব ফেলেছিল যা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

৩.৩ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা  :
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা জনআকাঙ্গার প্রতিফলন সরকার গঠনের জন্য যেমন জরুরী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা,আস্থা,বিশ্বাস।তেমনি জরুরী সুষ্ঠু,অবাধ ও নিরেপক্ষ নির্বাচন কমিশন,জনপ্রশাসন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।কিন্তু বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনে, জনপ্রশাসনে,এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে এসব উপাধানের বড়ই অভাব।ক্রমবর্ধমান দলীয়করণ জন্য পেশাদারিত্ব হীন,নীতি-হীন,দুর্নীতিবাজ,এবং দলই অনুগত কর্মকর্তা,-কর্মচারী দল সৃষ্টি হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানে।এমন অবস্থায়ে কতটুকু সুষ্ঠু,অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেটা এখন বিবেচ্য বিষয়। নিম্নে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হলো -

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

প্রথমত:  বাংলাদেশের দলই  সরকারে অধীনে সাধারণ নির্বাচনের অনুষ্ঠানের খুব খারাপ এবং জঘন্য অভিজ্ঞতা  ইতিহাস বেশ সুখকর নয়। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়,সে নির্বাচনে বর্তমান সরকারের পূর্বসূরি বিরুদ্ধে অনিয়ম কেন্দ্র দখল,ব্যাপক বিস্তার অভিযোগ  এবং ব্যালট বাক্সে ছিনতাই,পোলিং .......................

দ্বিতীয়তঃ স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে বাংলাদেশে দলীয় সরকারে অধীনে মোট পাঁচটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এবং সেসব জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি,কারচুপি অভিযোগ উ........................

তৃতীয়:সরকার,বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রায়ই,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে ডঃ ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে কুখ্যাত ১/১১ সরকারের উদাহরণ দিয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী প্রায় তার বক্তৃতার মধ্যে বলেন যে,” তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা আসলে কেউ রেহাই পাবে না “এবং তিনি আরো বলেন,”সবাই জেলে যেতে হবে.” আসলে, ১/১১ সরকার ....................

 চতুর্থ: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিদারুণভাবে এবং তীব্র ভাবে ১৯৯০ সালে  তত্ত্বাবধায়ক সরকার পক্ষে প্রচেষ্টা চালিয়ে ছিল।১৯৮৩ সালে প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ জামাত ইসলামি .................

 পঞ্চম: সুপ্রিম কোটের,বিজ্ঞ বিচারপতিদের দক্ষতা, জ্ঞান এবং আত্মজ্ঞান সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই। হাইকোর্ট বিভাগ বৃহত্তর বেঞ্চের তিন বিচারপতি মধ্যে (তাদের একজন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়) একজন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে ছিলেন। এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের তিনজন বিচারপতি ...................

 ষষ্ঠ: সরকার সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী,নেতৃত্বে সংবিধান সংশোধন জন্য ১৫ সদস্যরে শক্তিশালী প্যানেলের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করে।এই বিশেষ কমিটি...........................

৩.৪ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার নেতিবাচক দিক  :
বাংলাদেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম সূচনা ঘটে ১৯৯০ সালে। তা ছিল স্বৈরাচার এরশাদ সরকারকে হটানোর জন্য সময়ের দাবি। যে আন্দোলনে একযোগে ........................


পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১ সার্বিক পর্যালোচনাঃ

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা। রাজনৈতিক আন্দোলনের ফল। এর জন্মলগ্ন থেকেই কিন্তু এটিকে আইনি অথবা সাংবিধানিক বিতর্ক হিসাবে দেখা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন সাইয়িদ মশিউর রহমান (চবঃরঃরড়হ ঘড় ১৭২০ ড়ভ ১৯৯৬)।


১৯৯৯ সালে আর একটি রিট পিটিশন (ঢ়বঃরঃরড়হ হড় ৪১১২ ড়ভ ১৯৯৯) পেশ করা হয় সলিমুল্লাহ খান কর্তৃক। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জয়নুল আবেদিন, বিচারপতি আওলাদ আলী এবং বিচারপতি মীর্জা হুসেন হায়দার সমন্বয়ে গঠিত এক বৃহত্তর বেঞ্চ ২০০৪ সালের ৪ আগস্টে প্রদত্ত এক রায়ে সংবিধান সংশোধন (ত্রয়োদশ সংশোধনী) আইনে অনুমোদন দান করে রায় দিয়েছিলেন।......................................................

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫
 উপসংহারঃ
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। গণতান্ত্রিক দেশের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন বর্তমানে খুবই উত্তপ্ত। বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত ও আলোড়িত বিষয় হচ্ছে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা'। এই সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দুটি পক্ষ-বিপক্ষ শিবিরে চলছে ব্যাপক তর্ক বিতর্ক । বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এবং দ্বিতীয়টি বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। তৃতীয়পক্ষ নাগরিক ও সুশীল সমাজের বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবীরাও এ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরছেন। তবে বুদ্ধিজীবীরা তাদের মতামত স্পষ্টত প্রকাশ করেননি। তারা হয়তো বা 'ঝোপ বুঝে কোপ মারবেন' এমনো হতে পারে।

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী একটি নির্বাচিত দলের অধীনে নির্বাচন সংঘটিত হবে। এরকম নির্বাচন যেহেতু আগে কখনো হয়নি সেহেতু দেশের জনগণের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ উদ্দীপনা কাজ করছে। যদিও পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা অনেক আগে থেকে রয়েছে। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতাপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গন দ্বিমতে বিভক্ত। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বারবার ১/১১ এর ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ১/১১ এর জন্য বড় দুটি রাজনৈতিক দলই দায়ী । কেননা এই দুটি রাজনৈতিক দলের বিতর্কিত কিছু কর্মকা-ের জন্যই মইন ফখরুদ্দীন এক ধরনের সুবিধা নিয়েছিল। গতবারের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মদদপুষ্ট বর্তমান আওয়ামী লীগের প্রতি একনিষ্ঠ সমর্থন ছিল সামরিক বাহিনীর। কিন্তু ফখরুদ্দীন সরকার বাদে অন্যান্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা কি মনে পড়ে না? যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করেছে। এসব কথা মনে পড়লেও হয়তো বা সরকার পক্ষের কেউই তা স্বীকার করছে না। কারণ ১/১১ এর ইন্ধনদাতা সরকার আগামী নির্বাচনে কতগুলো আসনে বিজয়ী হবে সে আস্থা জনগণের ওপর থেকে হারিয়ে ফেলেছে। কেননা সে আস্থাটুকু যাচাই না করেই তারা ভীত হয়ে পড়েছে। যে জন্য নিজেদের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার ব্যবস্থা করে তারা আবার ক্ষমতায় আসতে চাচ্ছে। গণতান্ত্রিক দেশ হয়েও আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো গণতান্ত্রিকসুলভ আচরণ নেই। যে জন্য আমাদের রাজনীতি দূষিত, অবাঞ্ছিত। বলা চলে রাজনীতি আজ দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েছে। দেশের রাজনীতিতে যদি নেতৃত্বের গুণাবলীতে সঠিকভাবে পরিবর্তন আসে তাহলে দুটি দল, সংসদ ও দেশের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া সম্ভব। দেশে বর্তমান ঐতিহ্যগত পরিবারতন্ত্র বাদ দিলে দেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ সুন্দর মনোমুগ্ধকর হবে এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ছায়াতলে যে গণতন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে যা দেশের রাজনীতিকে সুন্দর ভবিষ্যতের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। দেশকে সুন্দর ভবিষ্যৎ এ ফিরিয়ে নিতে হলে মৃত (সরকার ঘোষিত) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন প্রয়োজন। বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক নামক সঙ্কট সমস্যার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ নামের প্রহসনের ব্যবস্থা করা হলেও বড় রাজনৈতিক দল দুটির কোনো আগ্রহ না থাকায় তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য কিছু প্রশ্ন থেকে যায়। সেগুলো হলো, দেশের কত শতাংশ লোক এ সরকার ব্যবস্থা ফিরে পেতে ইচ্ছুক? আমরা শুধু জানি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা নিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীক জরিপ কিন্তু সমগ্র দেশের মানুষ নির্দলীয় ব্যবস্থা নিয়ে কী ভাবছে? এটা জানাই এখন সময়ের প্রকৃত দাবি।

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ





TERM-PAPER CODE : 2505201704



সমাজ জীবনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব

সমাজ জীবনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব

সমাজ জীবনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব

প্রথম অধ্যায়

ভূমিকাঃ
অস্থিতিশীলতা স্থিতিশীলতা পদবাচ্যের বিপরীত ধারণা। ব্যক্তিজীবনের মতো জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রেও অস্থিতিশীলতা অনুন্নয়ন ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। এ কারণে স্থিতিশীলতা, বিশেষত রাজনৈতিক স্থিতিকে, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান নিয়ামক বলে বিবেচনা করা হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও উন্নয়ন গবেষকদের পর্যালোচনায় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত ও সম্ভবপর অগ্রগতির অন্যতম প্রধান অন্তরায় জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে মতানৈক্য, বিভাজন ও সার্বিক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনাকে যেমনি করেছে ব্যাহত, তেমনি রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাকেও করছে অনিশ্চিত।

নিরাপত্তা বিষয়ক আধুনিক ধারণা কেবল দেহগত কিংবা ভূখ-গত অথবা সীমান্ত সুরক্ষায় সীমাবদ্ধ নয়। ওয়াল্টার লিপম্যানের মতে, একটি জাতি ততক্ষণ নিরাপদ থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার মৌলিক মূল্যবোধগুলো বিসর্জন দেয়ার অবস্থায় উপনীত না হয়, যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে সক্ষম হয় এবং সঙ্কট সামলে নেয়ার মাধ্যমে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, বর্তমান বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন, সাংঘর্ষিক অবস্থা ও অস্থিতিশীলতা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল ও বিপন্ন করে তুলছে। আমাদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধ বিষয়ের অনেকগুলোতে জাতীয় ঐকমত্য নেই। আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ব্যাপক ও বিপুলভাবে আগ্রাসনের শিকার। আমাদের অর্থনীতি স্বনির্ভর নয়। কিন্তু কিছু মীমাংসিত বিষয় নতুনভাবে অমীমাংসিত করে ক্ষুদ্র রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলেরও চেষ্টা চলছে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ তথা আইনের শাসন ও সুশাসনের অভাব আমাদের সরকার ব্যবস্থাকে করছে বিপর্যস্ত। সঙ্কটকালে জাতীয় সুরক্ষা বিষয়েও আমরা দুশ্চিন্তামুক্ত নই। সমাধান নয়Íসমস্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের পারঙ্গমতা যেন বেশি স্পষ্ট হচ্ছে। অনুন্নত দেশে ও অনুদার গণতন্ত্রে যেহেতু জনগণ নয়, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গই প্রায় সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনÍসে কারণে ব্যর্থতার দায়ভারও প্রায় এককভাবে এদের ওপর বর্তায়। আমাদের রাজনীতিকদের একটা বড় অংশ ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে ব্যবহার করতে চাইলেও অন্যকে সে সুযোগ দিতে অনাগ্রহী। আর এ অগণতান্ত্রিক মানসিকতাই স্থিতিশীলতাহীনতাসহ আমাদের অনেক সঙ্কটের মৌল কারণ বলে নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

১.১ গবেষণাঃ 
মানবিক জ্ঞান উৎকর্ষের মূলে গবেষণার ভূমিকা সর্বাধিক। অজানাকে জানার জন্য, রহস্য উম্মোচনের জন্য, কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভের জন্য সর্বপরী প্রকৃতির উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। গুহাবাসী মানুষ আজ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে মুহুর্তের মধ্যে অন্য প্রান্তের খোজ খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসবের মূলে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা।

১.২ গবেষণার বিষয় ও সংশ্লিষ্ট প্রত্যয়ের ব্যখ্যাঃ
যে কোন গবেষণার ক্ষেত্রে প্রত্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে প্রত্যয় হল কতকগুলো পর্যবেক্ষন সম্পন্ন ঘটনা, বস্ত্র বা অভিজ্ঞতার বিমূর্থ পথিকৃত। আমার গবেষণার বিষয় হচ্ছে “সমাজ জীবনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব” একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা” এই গবেষণার বিষয়টি পর্যালোচনা করলে যে প্রত্যয়টি লক্ষ করা যায় তা হলোঃ
১. রাজনীতি

রাজনীতি
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫


১.৩ গবেষণার উদ্দেশ্যঃ
 আমার গবেষণার বিষয় “সমাজ জীবনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব” আমার গবেষণার কাজটির পেছনেও একাধিক উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে আমার গবেষণাটিকে আমি এগিয়ে নিয়েছে। মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামের প্রেক্ষিতে এই বিষয়ের উপর গবেষণা পরিচালনার জন্য নিম্নোক্ত উদ্দেশ্যাবলী নির্ধারণ করা হলঃ
১.    বর্তমান গণতান্ত্রিক সমাজ রাজনীতিকে কিভাবে মূল্যায়ন করে সে সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করা।
২.    গণতান্ত্রিক সমাজ কিভাবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার শিকার হচ্ছে যে সম্পর্কে জানা
৩.    রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ধরণ সম্পর্কে অবহিত হওয়া
৪.    রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কিভাবে সমাজকে প্রভাবিত করছে উক্ত বিষয়ের তথ্য জানা
৫.    রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সমাজ জিবনে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হয়
৬.    রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে কিভাবে সমাজ থেকে নির্সৃন করা যায় সে সম্পর্কে জানা
৭.    রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত হওয়া

১.৪ গবেষণার ক্ষেত্র ও এলাকা পরিচিতিঃ

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫



১.৫ গবেষণা ও পুস্তক পর্যালোচনাঃ
 বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ভিত্তিক গবেষণা কাজের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা। সদা পরিবর্তনশীল ও বির্বতনশীল সামজিক উপাদানকে উপজিব্য করে পরিচালিত সমাজ গবেষণার ক্ষেত্রে সাহিত্য সমীক্ষাকে একটি দিক দর্শন ও নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সাধারণভাবে বলা যায়, সাহিত্য পর্যালোচনা হচ্ছে বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে গবেষণার যৌক্তিক অধ্যয়ন।

যে কোন গবেষণা কার্য পরিচালনার পূর্বে এই বিষয়ে কোন ধরনের গবেষণা কিংবা কোন ধরনের গবেষণা কাজ বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক সে বিষয়ে অধ্যয়ন করাই হচ্ছে সাহিত্য পর্যালোচনা।   

পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সাহিত্য বলতে যে সমস্ত প্রাসঙ্গিক উপকরনকে সমাজ গবেষক অর্ন্তভূক্তি করে থাকেন তা নি¤œরুপ ঃ
১.    প্রকাশিত সাধারণ পাঠ্যপুস্তক।
২.    জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক জার্নাল, সাময়িক পত্র-পত্রিকা
৩.    গবেষণা প্রতিবেদন
৪.    বিশেষজ্ঞগনের অভিমত ইত্যাদি

দ্বিতীয় অধ্যায়

২.১ গবেষণার গুরুত্বঃ
সামাজিক গবেষণা সমাজ সম্পর্কে আমাদের নতুন জ্ঞান লাভে সাহায্য করে থাকে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামাজিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সামাজিক গবেষণার ফলে যুগ যুগ ধরে সকল তত্বের ত্রুটিগুলো খুব সহজে ধরা পড়েছে। সামাজিক গবেষণার গুরুত্ব সমূহ নি¤œরূপ ঃ
১.    অজানাকে জানার জন্য
২.    রহস্য উম্মোচনের জন্য
৩.    কোন বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারনা লাভের জন্য
৪.    জ্ঞান অর্জনের জন্য
৫.    বিজ্ঞান সমূহ তথ্য অনুসন্ধানের জন্য

২.২ গবেষণার অনুসৃত পদ্ধতিঃ
সামাজবিজ্ঞানে গবেষণার অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে পদ্ধতি। পদ্ধতি ছাড়া কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণা সফল ও পুর্ণাঙ্গ রূপ পরিগ্রহ করতে পারে না। বিজ্ঞানমনস্ক অনুসন্ধানে গবেষণা পদ্ধতির বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান : যেমন-পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান প্রভৃতি ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য যেরূপ সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসৃত হয় তেমনি সমাজবিজ্ঞান গবেষণায়ও পদ্ধতি অনুসরন করা অনিবার্য।

সাধারনভাবে বলা যায়, কোন কাজ সুচারুরুপে সম্পন্ন করতে যে পন্থায় সাহায্য নিতে হয় তাকে পদ্ধতি বলে।
গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে
Kothart তাঁর ÒResearch MethodologyÓ গ্রন্থে বলেছেন “ গবেষণা পদ্ধতি বলতে বুঝায় এমন সব পদ্ধতি বা কৌশল যেগুলো গবেষণা পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়। গবেষক গবেষণা সম্পন্ন করতে যেসব পদ্ধতি ও কৌশল ব্যবহার করেন তাই গবেষণা পদ্ধতি।

সুতরাং বলা যায় কোন কাজ পূর্নাঙ্গতা ও ব্যাপকতার সাথে সম্পন্ন করতে যে পন্থার সাহায্য নিতে হয় তা হল পদ্ধতি।
পদ্ধতি নির্বাচনঃ
আমার গবেষণার বিষয়বস্তু হল, “সমাজ জীবনে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব”। একটি সমাজতাত্বিক সমীক্ষা। এই গবেষণা করতে গিয়ে আমি জরিপ পদ্ধতি অনুসরন করেছি। কেননা যে কোন গবেষণা সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য এই পদ্ধতি নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


জরিপ পদ্ধতিঃ
আধুনিক শিল্প ও শহর ভিত্তিক সমাজ গবেষণার এক জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত তথ্যানুসন্ধান পদ্ধতি হচ্ছে জরিপ পদ্ধতি। একটি বৃহৎ সমগ্রককে সরাসরি প্রত্যক্ষ না করে এর বিভিন্ন দিক বিশ্লেষনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে জরিপ গবেষণা পদ্ধতি সমাজ গবেষকদের নিকট সহজতম এবং নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হিসাবে সমাদৃত। সাধারণভাবে বলা যায়, জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে কোন বিষয় সম্পর্কে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করা।

সুতরাং বলা যায়, জরিপ পদ্ধতি হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন এলাকার জনগনের আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহের কৌশল।

জরিপ পদ্ধতির সুবিধাঃ
গবেষণা পদ্ধতির মধ্যে জরিপ পদ্ধতির গুরুত্ব অনেক বেশী। এর মধ্যেমে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। গবেষণা পদ্ধতি হিসেবে জরিপ পদ্ধতির সুবিধাগুলো হলোঃ
১.    সমস্যা নিরুপনে সহায়ক পদ্ধতি।
২.    কম খরচে জরিপ গবেষণা সম্পন্ন হয়।
৩.    খুব সহজে সাধারনীকরন সম্ভব।
৪.    বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগের সুযোগ।
৫.    আর্থ-সামাজিক বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা দান করে।
৬.    পরিকল্পনা প্রনয়ণে সহায়ক।
৭.    দূর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক।
৮.    অর্থনৈতিক বিষয়ে ধারনা দেয়।


জরিপ পদ্ধতির অসুবিধা সমূহঃ
আলোর বিপরীতে অন্ধকার এটি চিরন্তন সত্য। তাই জরিপ পদ্ধতি অত্যন্ত জনপ্রিয়, বহুল ব্যবহৃত এবং সুবিধামন্ডিত হওয়া সত্বেও এ পদ্ধতির কিছু অসুবিধা রয়েছে। নিচে এগুলো উল্লেখ করা হল ঃ
১.    বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করা সম্ভব নয়।
২.    উত্তর দাতার আবেগ অনুপস্থিত।
৩.    বস্তুনিষ্ট জরিপ সম্ভব নয়।
৪.    শহর ও গ্রামের জটিলতা।

২.৩ তথ্য সংগ্রহের কৌশলঃ
গবেষকের মনোগ্রাফের তথ্য সংগ্রহের কৌশল এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সামাজিক গবেষণার তথ্য সংগ্রহের জন্য যে কৌশলগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত কৌশল হলো তিনটি । যথা ঃ
১.    প্রশ্নমালা কৌশল
২.    সাক্ষাৎকার কৌশল
৩.    নমুনায়ন

১.    প্রশ্নমালা কৌশলঃ
যে কোন সামাজিক গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জন্য বিজ্ঞান সম্মত ও বহুল ব্যবহৃত কৌশল হচ্ছে প্রশ্নমালা। এটা গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহের একটি মৌলিক প্রক্রিয়া। প্রশ্নমালা একটি লিখিত দলিল। এখানে কতকগৃলো প্রশ্ন থাকে এবং প্রশ্নমালা ব্যক্তির নিকট হতে তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২.    সাক্ষাতকার কৌশলঃ
সাধারন অর্থে দুই বা ততোধিক লোকের মধ্যে যে কোন আলোচনা বা কথোপকথনাকে সাক্ষাৎকার বলা হয়। এই সাক্ষাৎকার আবার দুই প্রকার যথা ঃ
    ১.    অবকাঠামোগত সাক্ষাৎকার
    ২.    কাঠামোগত সাক্ষাৎকার

৩.    নমুনায়নঃ
যে পদ্ধতি বিস্তৃত অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে থেকে গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয় বা উপাদান নির্বাচন করা হয় তাকে সংক্ষেপে নমুনায়ন বলে। আমি আমার গবেষণার জন্য দ্বৈবচয়িত নমুনায়নের পদ্ধতি বেছে নিয়েছি।

২.৪ গবেষণায় ব্যবহৃত মূল পদ্ধতিঃ
এই গবেষণায় রাজনৈতির অস্থিতিশীলতার আর্থ সামাজিক প্রভাব জানার জন্য সামাজিক জরিপ ও কেস স্টাডি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

২.৫ গবেষণা এলাকাঃ
   
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

২.৬ তথ্যের উৎসঃ
এই গবেষণায় প্রধানত প্রাথমিক উৎসের উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রাথমিক কাজের জন্য মাধ্যমিক তথ্যের উৎস ব্যবহার করা হয়েছে।

২.৭ সমগ্রক ও বিশ্লেষনের এককঃ
গবেষণা এলাকায় রাজনৈতিক কর্মীরা হবেন হবে সমগ্রক ও এবং প্রতিজন কর্মীকে বিশ্লেষণ একক হিসাবে ধরা হয়।  

২.৮ সময়সূচীঃ
বর্তমান গবেষণা বিষয় নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রনয়ন, প্রশ্নপত্র তৈরী, তথ্য সংগ্রহ, সারনী বদ্ধকরণ ও প্রতিবেদন প্রনয়ন করতে প্রায় ৩ মাস সময় লেগেছে।


২.৯ গবেষণার যৌক্তিকতাঃ
আমার গবেষণার বিষয়টির সাথে জরিপ পদ্ধতি সম্পর্ক সূত্রে আবদ্ধ। কেননা কোন সমাজের নির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তব তথ্য জানার জন্য অন্য পদ্ধতির তুলনায় জরিপ পদ্ধতি অধিক উপযোগী কারণ জরিপ পদ্ধতিতে গবেষক ঐ সমাজের একজন সদস্য হিসাবে সরোজমিনে পর্যবেক্ষন কৌশলের মাধ্যমে সঠিক ও বাস্তবধর্মী তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। যা এই সমাজের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে সক্ষম হয়। এতে আমার সময় ও পরিশ্রমের অপচয় কম হয়েছে এবং আমি আমার গবেষণাটি স্বল্প ব্যায়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।


২.১০ গবেষণার সীমাবদ্ধতাঃ
 
পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

তৃতীয় অধ্যায়

৩.১ বাংলাদেশর ইতিহাস ও রাজনৈতিক সংষ্কৃতিঃ

৩.২ গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাবঃ

পাঠকদের বোঝার জন্য টার্ম পেপারটির কিছু অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো। সম্পূর্ণ টার্ম পেপারটির জন্য যোগাযোগ করুন। 
পাভেল-০১৭৫৮-৩৩৬৭৫৫

চতুর্থ অধ্যায়

৪.১ সংগৃহীত তথ্য সারনী আকারে উপস্থাপন ও বিশ্লেষণঃ

সারনী নং-০১
সারনী নং-০২
সারনী নং-০৩

পঞ্চম অধ্যায়

৫.১ গবেষণার ফলাফলঃ
১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দলীয় শাসনের অভিজ্ঞতা এবং ২০০৭-এর ১১ জানুয়ারীর পট পরিবর্তনের পর এই প্রশ্ন নূতন করে যে কোন সচেতন মানুষের মনে আসা উচিত। এই প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানের কঠিন কাজটা বাদ দিয়ে যারা দ্রুত একটা নির্বাচনের জন্য ব্যগ্র, এবং ভাবছেন বা বলছেন যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলেই দেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করবে তারা যে অভিজ্ঞতা থেকে কোন শিক্ষা নিতে চান না সে কথা নিঃসংশয়ে বলা যায়। তাদের কাছে নির্বাচন আর গণতন্ত্র সমার্থক।

বস্তুত নির্বাচনমূলক শাসন ব্যবস্থাকেই যারা গণতন্ত্র হিসাবে চালাতে চান তারা গণতন্ত্রের মর্মবস্তু বা সারসত্তা সম্পর্কে কোন ধারণা রাখারই প্রয়োজন মনে করেন না। তাদের মত মানলে কি ইংল্যান্ড বা গ্রেট ব্রিটেনকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলা যাবে? কারণ ইংল্যান্ডের রাষ্ট্র প্রধান অনির্বাচিত বংশগত রাজা বা রাণী। রাষ্ট্রের পরিচয়ে ইংল্যান্ড বা গ্রেট ব্রিটেন আদৌ প্রজাতন্ত্র নয়, বরং রাজতন্ত্র। এই জন্য তাকে বলা হয় ইউনাইটেড কিংডম বা যুক্তরাজ্য। কিন্তু রাষ্ট্র শাসনের একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে বংশগত রাজতন্ত্র থাকলেও ব্রিটেনকে কেউ স্বৈরতন্ত্র বা রাজতন্ত্র শাসিত রাষ্ট্র না বলে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই বলে। অথচ সেখানে নির্বাচিত সরকার বা জন-প্রতিনিধিরা রাজা বা রাণীর নামেই দেশ শাসন করে। সরকার পরিচালনায় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সমর্থন যথেষ্ট নয়, সেই সঙ্গে অপরিহার্য রাজা বা রাণীর সম্মতি বা অনুমোদন। উপরন্তু সংসদ বা পার্লামেন্টের দুইটি কক্ষের একটি হাউজ অব্ কমন্স নির্বাচিত জন-প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হলেও, উচ্চতর কক্ষ হিসাবে পরিগণিত অপর কক্ষ হাউজ অব লর্ডস মূলত উত্তরাধিকার সূত্রে সামন্ত প্রভুদের বংশধরদের নিয়ে গঠিত।

তাহলে কী দাঁড়াল? যে ইংল্যান্ডের গণতন্ত্রকে এ দেশে আদর্শ হিসাবে অনুসরণের চেষ্টা করা হয় সেই ইংল্যান্ড থেকে যদি শিক্ষণীয় কিছু থাকে তবে বলতে হবে যে, নির্বাচনই গণতন্ত্রের সবকিছু নয়। নির্বাচন প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের একটি অঙ্গ। তাই নির্বাচন বা ভোট দিলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না। এ ক্ষেত্রে উপমা হিসাবে নির্বাচনকে মানুষের দেহাবরণ বা পোশাকের সঙ্গে তুলনা করা যায়। একটা শিম্পাঞ্জিকে জামা, প্যান্ট, কোট, টাই, জুতা পরালে যেমন তা মানুষ হয়ে যায় না তেমন একটা নির্বাচনমূলক ব্যবস্থা প্রবর্তন করলেই একটা সমাজ বা রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক হয় না।

সমাজ মানসে বা সমাজে পশ্চাৎপদ, প্রতিক্রিয়াশীল ও স্বৈরতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির অপ্রতিহত চাষাবাদ এবং রাষ্ট্রে আমলাতান্ত্রিক শাসন বজায় রেখে পাঁচ বৎসর মেয়াদে নির্বাচন দিলে গণতন্ত্রের নামে যে বস্তুটা প্রতিষ্ঠিত হয় তার নমুনা সামরিক শাসন বহির্ভূত কালে আমরা কম দেখলাম না। ব্রিটিশ এবং পাকিস্তানী শাসন কালের কথা বাদ দেওয়া যাক। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর আওয়ামী লীগের প্রথম শাসন কালের প্রায় সাড়ে তিন বৎসর এবং ১৯৯১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত নির্বাচনমূলক দলীয় শাসনের প্রায় পনেরো বৎসর গণতন্ত্রের যে চেহারা আমরা দেখেছি তারপর ঐ শব্দের প্রতি মোহ থাকার কোন কারণ থাকত না, যদি না ইউরোপ-আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া তথা পাশ্চাত্যের উন্নত ও গণতান্ত্রিক দেশগুলোর দৃষ্টান্ত আমাদের চোখের সামনে থাকত।
নির্বাচনমূলক শাসনের যে রূপ আমরা বিগত দিনগুলোতে দেখেছি তাকে গণতন্ত্র না বলে নির্বাচনমূলক স্বৈরতন্ত্র বলাটাই যুক্তিযুক্ত, কিংবা এটাকে যদি গণতন্ত্র বলতেই হয় তবে তার পূর্বে একটা পঙ্গু বা সীমাবদ্ধ শব্দ যোগ করা উচিত। অর্থাৎ এটা পঙ্গু গণতন্ত্র মাত্র। নিকৃষ্ট মানের স্বৈরতা ও ইতরতা দ্বারা অধিকৃত এই পঙ্গু গণতন্ত্র প্রকৃতপক্ষে একটা ইতরতন্ত্র রূপে আমাদের দেশে আবির্ভূত হয়েছে, যা ’৭২ থেকে ’৭৫ পর্যন্ত এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত সময়ে চরম রূপ নিয়ে দেখা দিয়েছিল। একটা নির্বাচন নির্ভর ইতর ও দুর্বৃত্ত শ্রেণীর লোকদের যে একনায়কী শাসন আমরা বার বার এ দেশে দেখেছি সেটাকে আর যাই হোক পাশ্চাত্যের গণতন্ত্রের সঙ্গে মিলানো যায় না।
সুতরাং উপরিউক্ত আলোচনায় বলা যায় যে, প্রশাসনিক আইন, বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সমূহকে সচেতন হওয়া একান্ত অপরিহার্য।

৫.২ সুপারিশমালাঃ
৫.৩ উপসংহারঃ
৫.৪ নমুনা প্রশ্নমালঃ
৫.৫ সহায়ক গ্রন্থপঞ্জীঃ
TERM-PAPER CODE : 2505201703